বিশ্ববাজারে সোনা ও রুপার দামে বড় পতন, দেশেও কমার ইঙ্গিত

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে সোনা ও রুপার দামে বড় ধরণের পতন দেখা দিয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) বিশ্ববাজারে মূল্যবান এই ধাতু দুটির দাম ১.৫ থেকে ২ শতাংশের বেশি কমেছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের বাজারেও খুব শীঘ্রই সোনার দাম কমতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে সোনার দাম ১.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৮২.৫১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ১.৪ শতাংশ কমে আউন্স প্রতি ৫ হাজার ৯৯.৪০ ডলারে নেমেছে।

সোনাই নয়, রুপা ও অন্যান্য দামি ধাতুর দামও নিম্নমুখী। স্পট রুপার দাম ২.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৮২.৫০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। প্ল্যাটিনামের দাম ২.৮ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.২ শতাংশ কমেছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বাজারে সোনার দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিশ্ববাজারের দরকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। যেহেতু আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরণের পতন হয়েছে, তাই যেকোনো সময় দেশের বাজারেও দাম কমানোর ঘোষণা আসতে পারে।

এর আগে গত ৪ মার্চ বাজুস সোনার দাম এক ধাক্কায় ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়েছিল।

বর্তমানে দেশের বাজারে  প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

অন্যদিকে, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ২৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিশ্ববাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সোনার অলঙ্কার কেনা কিছুটা সহজ হবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি বদলে গেলে যেকোনো সময় আবারও বাজার অস্থির হতে পারে।

FJ
আরও পড়ুন