রণক্ষেত্র মধ্যপ্রাচ্য

উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের ব্যাপক হামলা

আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২৬, ০২:০৩ পিএম

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ এখন আর কেবল নির্দিষ্ট সীমান্তে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা পুরো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। তিন সপ্তাহ ধরে চলা এই যুদ্ধ এখন চরম মানবিক ও জ্বালানি সংকটের দিকে মোড় নিয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কুয়েত এবং সৌদি আরব তাদের আকাশসীমায় ইরানের ছোঁড়া একাধিক মিসাইল ও ড্রোন প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। 

মঙ্গলবার ভোরে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের সশস্ত্র বাহিনী একটি মিসাইল আক্রমণ সফলভাবে রুখে দিয়েছে। একই সময়ে কুয়েত ন্যাশনাল গার্ড একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। দুবাইয়ের আকাশজুড়ে রাতভর বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয়তা দেখা গেছে।

আল জাজিরার তথ্যমতে, ইরান এ পর্যন্ত জিসিসি (GCC) দেশগুলোর দিকে প্রায় ৩,০০০ প্রজেক্টাইল (মিসাইল ও ড্রোন) নিক্ষেপ করেছে, যার অর্ধেকেরও বেশি লক্ষ্যবস্তু ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের পূর্ব অঞ্চলে একটি ড্রোন ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে। এই ক্রমাগত হামলার ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোতে কেবল প্রাণহানিই ঘটছে না, বরং দেশগুলোর অর্থনীতিতেও ধস নামতে শুরু করেছে। বিশেষ করে তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং আকাশপথ অনিরাপদ হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে ইরানের ওপর হামলার জবাবে তেহরান এই 'প্রতিশোধমূলক' নীতি গ্রহণ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা

SN
আরও পড়ুন