ইসরায়েলের সেনা সদরদপ্তর ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইরানের হামলা

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:০৩ পিএম

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এক ভয়াবহ ও সুনির্দিষ্ট হামলার দাবি করেছে, যা ইসরায়েলের সবচেয়ে সংবেদনশীল সামরিক স্থাপনা দুটি লক্ষ্য করেছে।

আইআরজিসির বরাত দিয়ে ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ জানায়, রাজধানী জেরুজালেমে অবস্থিত আইডিএফের মিলিটারি কন্ট্রোল সেন্টার অব কমান্ড এবং মৃত সাগরের দক্ষিণে অবস্থিত পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের উপর ভোরের দিকে অভিযান চালানো হয়েছে। 

আইআরজিসি জানিয়েছে, লক্ষ্যবস্তু দুটি অত্যাধুনিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আক্রমণ করা হয়েছে। হামলার লক্ষ্য ছিল শুধু সামরিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা নয়, বরং ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর কার্যক্ষমতাকেও ব্যাহত করা।

ইরানের পক্ষ থেকে এই হামলার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হলেও, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। 

আইআরজিসি জানায়, এই অভিযান তাদের অভিজ্ঞ কমান্ডারদের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়েছে, যা ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক প্রভাবকে আরও দৃঢ় করার লক্ষ্য বহন করছে। হামলার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটও ইরানের কৌশলগত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে।

উল্লেক্ষ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওয়াশিংটন ও তেহরানের সংলাপ চলেছিল। কিন্তু কোনো সমঝোতা ছাড়াই তা শেষ হয়। পরের দিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ও ইসরায়েলের ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু হয়। যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডারসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। পাল্টা জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ চালাচ্ছে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে বিশ্ববাজারে তেলের সংকট সৃষ্টি করেছে। সূত্র: ফার্স নিউজ

AS/AHA
আরও পড়ুন