মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা ও জ্বালানি তেলের আকাশচুম্বী দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে ইউরোপীয় দেশগুলো হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের যে পরিকল্পনা করছে, তার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাঘাই সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এ ধরনের কোনো হস্তক্ষেপ পরিস্থিতিকে কেবল আরও জটিলই করে তুলবে।
বাঘাই সোমবার (১১ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলোর উচিত হবে না যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের ‘অহমিকা’ ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে প্ররোচিত হওয়া। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই দেশগুলোর উচিত এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থাকা যা তাদের নিজেদের জাতীয় স্বার্থকেই চরম ঝুঁকির মুখে ফেলবে।
ইরানি মুখপাত্র এই সংঘাতকে কেবল অনৈতিকই নয়, বরং ‘বেআইনি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করেছে। তিনি বলেন, “ইউরোপীয় দেশগুলোর উচিত হবে না বোকা সেজে এই অন্যায্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া।
হরমুজ প্রণালি বা পারস্য উপসাগরে যেকোনো ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন বাঘাই। তার মতে:
দাম বৃদ্ধি: বিদেশি হস্তক্ষেপ তেলের দাম কমানোর পরিবর্তে বরং আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
জটিলতা: এই রুটটি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ধমনি, এখানে যেকোনো উত্তেজনা পুরো বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থবির করে দিতে পারে।
পরিশেষে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি ‘দায়িত্বশীল’ আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইরান চায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক, কিন্তু আঞ্চলিক জলসীমায় কোনো অনধিকার প্রবেশ তারা বরদাশত করবে না। সূত্র: আঝাজিরা
রয়টার্সের দাবি উড়িয়ে ভিন্ন বার্তা ইরানের
মার্কিন প্রত্যাখ্যানের পর যা বলছে ইরান