সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যেই দানবাক্সের অর্থ গণনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে মাজারে সংরক্ষিত সিলগালা করা দানপাত্র (ডেকচি) খোলার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
ব্যতিক্রমধর্মী এই উদ্যোগকে ঘিরে মাজার প্রাঙ্গণে ভক্ত, দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহল দেখা গেছে। গণনা কার্যক্রম দেখতে সকাল থেকেই মাজার এলাকায় উৎসুক মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে দানের অর্থ গণনার কাজ পরিচালিত হচ্ছে। এ কাজে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। পুরো প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত রয়েছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।
গণনার সময় মাজার প্রাঙ্গণে ভিড় করেন অসংখ্য দর্শনার্থী। অনেকে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। আগে কখনো প্রকাশ্যে দানবাক্সের অর্থ গণনা না হওয়ায় ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জেলা প্রশাসনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, গণনা শেষ হওয়ার পর মোট দানের পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অর্থ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উল্লেখ্য, দেশের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে প্রতিদিন হাজারো ভক্ত ও দর্শনার্থী আসেন এবং দান করেন। দীর্ঘদিন ধরে এসব দান সংগ্রহ করা হলেও প্রকাশ্যে অর্থ গণনার নজির ছিল না। প্রশাসনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এবার প্রথমবারের মতো উন্মুক্তভাবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
প্রাথমিকে আরো ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
নাসিরনগরে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় কিশোর গ্রেফতার
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে আগুন নিয়ন্ত্রণে