বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচগুলোর একটিতে বাংলাদেশ সময় সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত ২টায় মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও ইউরোপের শক্তিশালী দল নরওয়ে। ম্যাচটি ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে থাকলেও পরিসংখ্যান বলছে, ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামছে ব্রাজিল।
ফুটবলভিত্তিক পরিসংখ্যান প্রতিষ্ঠান অপ্টার সুপার কম্পিউটার ২৫ হাজারবার ম্যাচটির সিমুলেশন চালিয়ে দেখেছে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা ৫৩.৬ শতাংশ। বিপরীতে নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ২২.৪ শতাংশ, আর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ।
শুধু এই ম্যাচেই নয়, কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার সম্ভাবনার হিসাবেও এগিয়ে সেলেসাওরা। অপ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, শেষ আটে ওঠার সম্ভাবনা ব্রাজিলের ৬৫.৬ শতাংশ, যেখানে নরওয়ের সম্ভাবনা ৩৪.৫ শতাংশ। এই লড়াইয়ে জয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে ইংল্যান্ড অথবা মেক্সিকোর বিপক্ষে।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ব্রাজিলের অতীত রেকর্ডও তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর মতো। শেষ ষোলোর সর্বশেষ ১০ ম্যাচের মধ্যে ৯টিতেই জয় পেয়েছে তারা। কেবল ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল ব্রাজিলকে।
অন্যদিকে, নরওয়ে ইতিহাস গড়ে জায়গা করে নিয়েছে শেষ ষোলোতে। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ৮৬তম মিনিটে আর্লিং হালান্ডের করা গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় তারা। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এটি নরওয়ের প্রথম জয়। এর আগে ১৯৩৮ ও ১৯৯৮ সালের আসরে নকআউটে উঠলেও দুইবারই ইতালির কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল দলটিকে।
ব্রাজিলও অবশ্য সহজে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেনি। জাপানের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় আনচেলত্তির দল। জাপানের হয়ে কাইশু সানো প্রথমে গোল করে দলকে এগিয়ে দিলেও কাসেমিরো সমতা ফেরান। পরে ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির জয়সূচক গোলে স্বস্তির জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল।
মার্তিনেল্লির সেই গোলের নেপথ্যে ছিলেন ব্রুনো গিমারায়েস। তার নিখুঁত পাস থেকেই আসে জয়সূচক গোলটি। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল ব্রুনোর চতুর্থ অ্যাসিস্ট। ১৯৬৬ সালের পর এক আসরে ব্রাজিলের হয়ে এর চেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট করতে পেরেছেন শুধু কিংবদন্তি পেলে, যিনি ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে করেছিলেন ছয়টি অ্যাসিস্ট।
নরওয়েকে থামাতে আনচেলত্তির বিশেষ পরিকল্পনা
যে পরিসংখ্যানে মেসির চেয়ে পিছিয়ে এমবাপ্পে
গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে