ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধ ছয় মাসে গড়ানোর পরও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। মার্কিন অবরোধের প্রভাবে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। একই সময়ে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে হওয়া মার্কিন-সমর্থিত চুক্তিও প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন অবরোধের কারণে একপর্যায়ে ৮২টি জাহাজ তাদের নির্ধারিত রুট পরিবর্তন করে। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে বড় অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে জ্বালানি সরবরাহ ও বৈশ্বিক বাণিজ্যেও।
অন্যদিকে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া চুক্তির বিরোধিতা করেছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনটির প্রধান নাঈম কাসেম শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বলেছেন, তারা ওই চুক্তির কাঠামো মেনে নেবে না। তাঁর ভাষায়, এটি লেবাননের সার্বভৌমত্বের জন্য ক্ষতিকর এবং অপমানজনক।
চুক্তিটিতে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ, দক্ষিণ লেবানন থেকে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং ওই এলাকায় লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে হিজবুল্লাহ বলছে, ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননের ভূখণ্ডে অবস্থান করা এবং হামলা চালানো অব্যাহত রাখলে তারা চুক্তি মেনে নেবে না।
এর ফলে যুদ্ধের ছয় মাস পূর্তিতেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের পাশাপাশি লেবানন সীমান্ত পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এবং ইসরায়েল-লেবানন সমঝোতা, দুটি বিষয়ই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।
প্রক্সি দিয়ে লিখিত পরীক্ষায় পাস, মৌখিক দিতে এসে ধরা
এভারেস্ট থেকে তরাই: নেপালের ভূপ্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের বিস্ময়