স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সাথে কোনোরকম কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা হবে না বলে পুনরায় সাফ জানিয়ে দিয়েছে সৌদি আরব।
পারমাণবিক প্রযুক্তি সহায়তার বিনিময়ে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার মার্কিন শর্তও সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে রিয়াদ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দেশের পারমাণবিক সহযোগিতা সংক্রান্ত প্রস্তাবিত ফাইল মার্কিন কংগ্রেসে পাঠালেও এতে একটি কঠোর শর্ত যুক্ত করেছেন।
ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, রিয়াদ ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক না গড়লে এই চুক্তি বাস্তবায়িত হবে না।
গত মাসে দুই দেশের জ্বালানি মন্ত্রীদের মধ্যে এ বিষয়ে একটি বড় ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর হলেও আমেরিকার নতুন এই শর্তে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন এই চাপের মুখে নিজেদের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে শক্ত বার্তা দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
সৌদির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া ইসরায়েলের সাথে কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়। এটি রিয়াদের একটি চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয় সিদ্ধান্ত।
সৌদি আরব আরও উল্লেখ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাদের পারমাণবিক সহযোগিতা একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক ও কৌশলগত বিষয়। এর সাথে ইসরায়েলকে মেনে নেওয়ার শর্ত জুড়ে দেওয়া সম্পূর্ণ অনুচিত ও অগ্রহণযোগ্য।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।
নজর রাখছি আমরা : মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশ প্রশ্নে জয়সওয়াল
মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশ : যা বলছে পাকিস্তান