ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র উৎপাদনকারী ইউরোপের সব কারখানাকে রাশিয়ার বৈধ ও সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে সতর্ক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ক্রেমলিনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইউরোপীয় সামরিক অস্ত্র প্রস্তুতকারকদের উদ্দেশে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে ইউরোপীয় দেশগুলো সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে বলেও মন্তব্য করেন জাখারোভা। তার ভাষ্য, ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের পাশাপাশি নতুন অস্ত্র কারখানা স্থাপন ও যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমে ইউরোপের দেশগুলো সংঘাতে আরও গভীরভাবে যুক্ত হচ্ছে।
ইউক্রেনের জন্য প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির একটি কারখানা স্থাপনে পোল্যান্ডের আগ্রহ নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে এসব মন্তব্য করেন রুশ মুখপাত্র।
জাখারোভা বলেন, ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র তৈরি করা ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক কারখানাগুলো রাশিয়ার সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু। ইউক্রেনের ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত হলেও কিয়েভ সরকারের জন্য অস্ত্র উৎপাদনকারী এসব কারখানা নিরাপদ থাকবে, এমনটা মনে করার কোনো কারণ নেই।
তিনি আরও বলেন, যারা মনে করছেন ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র উৎপাদনকারী কারখানাগুলো নিরাপদ থাকবে, তারা ভুল করছেন। ইউরোপের এসব কারখানাকে সংঘাতের বাইরে থাকা স্থাপনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
জাখারোভা অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় দেশগুলো শুধু ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছে না, বরং নতুন অস্ত্র কারখানা স্থাপন ও যৌথ উৎপাদন উদ্যোগের মাধ্যমে সংঘাতে সরাসরি অংশ নিচ্ছে। এ ধরনের পদক্ষেপ সংঘাতের সমাধানের পথ তৈরি করার পরিবর্তে তা আরও দীর্ঘায়িত করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে ন্যাটো ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে। রুশ বাহিনীকে প্রতিহত করার পাশাপাশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার সক্ষমতা বাড়াতেও ইউক্রেনকে সহযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে তারা।
সূত্র: রয়টার্স।
বিমান ছিনতাই চেষ্টায় ইরানের যোগসাজশ খুঁজছেন নেতানিয়াহু
ভারতের মহারাষ্ট্রে সমুদ্রে ডুবে ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করা সম্ভব নয়: আলী নিকজাদ