নিষেধাজ্ঞা-হুমকিতেও থামেনি ইরানের পরমাণু স্বাস্থ্য খাত: ইসলামি

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩১ পিএম

নিষেধাজ্ঞা, হুমকি ও হামলা কোনো কিছুই ইরানের পরমাণু স্বাস্থ্য খাতের অগ্রযাত্রা থামাতে পারেনি বলে দাবি করেছেন দেশটির পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামি। তার ভাষ্য, এসব চাপের মধ্যেও ইরান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রসীমায় নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।

বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) শিশুদের ক্যানসার শনাক্ত ও চিকিৎসায় ইরানের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক কেন্দ্র উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে ইসলামি বলেন, দেশের উন্নয়নে স্বাস্থ্য ও খাদ্যনিরাপত্তাকে কৌশলগত দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে পরমাণু শক্তি সংস্থা। নানা চাপ, নিষেধাজ্ঞা, হুমকি ও পরমাণু শিল্পের ওপর হামলার মধ্যেও অগ্রগতির পথ ধরে রাখতে পারায় গর্বিত বলেও জানান তিনি।

ইসলামি বলেন, এসব চাপের পাশাপাশি ইরানকে ঘিরে নানা মিথ্যা অভিযোগ ও দাবি তোলা হয়েছে। তবে এসব পরিস্থিতির মধ্যেও পরমাণু শক্তি সংস্থার কর্মীরা নিজেদের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রসীমায় দেশের অগ্রযাত্রা ধরে রেখেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান জানান, বিশ্বের অগ্রসর দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইরান তেজস্ক্রিয় ওষুধের পরিসর বাড়িয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৭৮টি তেজস্ক্রিয় ওষুধ উৎপাদন করে নিয়মিত সরবরাহ করা হচ্ছে। আরও ২০টির বেশি ওষুধ গবেষণা পর্যায়ে রয়েছে। ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হলে সেগুলোও উৎপাদনের তালিকায় যুক্ত হবে বলে জানান তিনি।

বিশেষ করে আলফা-কণা নির্গতকারী তেজস্ক্রিয় ওষুধের ক্ষেত্রেও ইরানের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন ইসলামি। তার দাবি, চিকিৎসায় এ ধরনের ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি ইরান।

ইসলামি আরও বলেন, দেশের ওপর নানা ধরনের হুমকি থাকা সত্ত্বেও আলফা-কণা নির্গতকারী ওষুধের ক্ষেত্রে ইরানের পরমাণু শিল্প যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম হয়েছে। সূত্র: ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি 

এএস
আরও পড়ুন