গাজায় ইসরায়েলের দীর্ঘস্থায়ী সামরিক অভিযান শুধু মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিই বদলে দেয়নি, ভারতের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকও নতুন করে সামনে এনেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত ও ইসরায়েলের সম্পর্ক এখন আর আড়ালের কূটনৈতিক যোগাযোগে সীমাবদ্ধ নয়; প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও রাজনৈতিক পর্যায়ে তা ক্রমেই প্রকাশ্য ও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে।
অন্যদিকে, ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি ভারতের ঐতিহাসিক সমর্থন আনুষ্ঠানিকভাবে বহাল থাকলেও গাজা যুদ্ধের সময় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নয়াদিল্লির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই পরিস্থিতি ভারতের দীর্ঘদিনের ভারসাম্যপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্য নীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তবে ভারত সরকার ইসরায়েলের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি ফিলিস্তিনের জন্য দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান এবং আরব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার কথাও বলে আসছে।
ঐতিহাসিক ফিলিস্তিনপন্থা থেকে প্রকাশ্য ইসরায়েল-ঘনিষ্ঠতা
ভারতের ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থানের শিকড় দেশটির স্বাধীনতাপূর্ব উপনিবেশবিরোধী রাজনীতিতে। ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘে ফিলিস্তিনকে বিভক্ত করে পৃথক ইহুদি ও আরব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিল ভারত। ১৯৫০ সালে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিলেও দীর্ঘ সময় দুই দেশের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
১৯৭৪ সালে ভারত ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থাকে (পিএলও) ফিলিস্তিনি জনগণের একমাত্র বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম অনারব দেশ হয়। ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকেও স্বীকৃতি দেয় নয়াদিল্লি। তবে এই সময়েও নিরাপত্তা ও সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে ভারত-ইসরায়েলের যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ ছিল না।
১৯৯২ সালে দুই দেশ আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরবর্তী সময়ে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়তে থাকে। ২০১৪ সালে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই সম্পর্ক আরও প্রকাশ্য ও বিস্তৃত হয়। ২০১৭ সালে মোদি প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইসরায়েল সফর করেন। এর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন রাজনৈতিক গতি পায়।
প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি: সম্পর্কের প্রধান চালিকা শক্তি
ভারতের কাছে ইসরায়েল গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, নজরদারি প্রযুক্তি, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং গোয়েন্দা সহযোগিতার অংশীদার। দুই দেশের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ উদ্যোগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্পর্ককে কেবল কূটনৈতিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ রাখেনি; তা সামরিক ও শিল্পখাতেও বিস্তৃত করেছে।
ভারতের অর্থনীতি ও নিরাপত্তা পরিকল্পনায় প্রযুক্তি, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, সাইবার নিরাপত্তা এবং উদ্ভাবনও গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েলের সঙ্গে সহযোগিতা এসব ক্ষেত্রে ভারতের সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার পাশাপাশি সাইবার প্রযুক্তি, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে সহযোগিতা বিস্তারের কথা বলা হয়। একই সঙ্গে সম্পর্ককে ‘বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্বে’ উন্নীত করা হয়।
ফলে গাজা যুদ্ধের সময় ভারতের নীতিকে বোঝার ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার গুরুত্ব উপেক্ষা করা যায় না। তবে সম্পর্কের এই গভীরতা মানেই নয় যে দুই দেশের প্রতিটি আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক বিষয়ে অবস্থান অভিন্ন।
গাজা যুদ্ধের পর ভারতের অবস্থান কেন আলোচনায়?
২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার পর ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ যুদ্ধের ফলে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি নিহত হন, ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো ধ্বংস হয় এবং মানবিক সংকট গভীর হয়। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচনা বাড়ে।
আল জাজিরার ৮ অক্টোবর ২০২৬-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলোর কিছু সরকার ইসরায়েলি কর্মকর্তা, বসতি স্থাপনকারী বা অধিকৃত পশ্চিম তীরের বসতিসংশ্লিষ্ট পণ্যের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কিংবা বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নিয়েছে। এর বিপরীতে ভারত ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে। এই পার্থক্য ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে বিতর্ক বাড়িয়েছে।
তবে ভারতের অবস্থানকে শুধু ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন হিসেবে দেখলে নীতির পুরো চিত্র পাওয়া যায় না। নয়াদিল্লি ফিলিস্তিনিদের মানবিক সহায়তা, স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতি সমর্থনের কথাও জানিয়েছে। বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হলো—এসব নীতিগত বক্তব্যের পাশাপাশি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারত কতটা চাপ প্রয়োগ করতে প্রস্তুত।
আদর্শিক সাদৃশ্যের প্রশ্ন
ভারত-ইসরায়েল সম্পর্কের আরেকটি আলোচিত দিক হলো রাজনৈতিক আদর্শ। আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির কিছু অংশ ইসরায়েলের নিরাপত্তানীতি, জাতীয়তাবাদী পরিচয় এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই আদর্শিক সাদৃশ্য দুই দেশের সম্পর্কের রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
তবে এটিকে ভারতের রাষ্ট্রীয় নীতির একমাত্র ব্যাখ্যা হিসেবে গ্রহণ করা ঠিক হবে না। প্রতিরক্ষা প্রয়োজন, প্রযুক্তি, বাণিজ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগও ভারতের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে।
অর্থাৎ, রাজনৈতিক আদর্শ ও বাস্তব স্বার্থ—দুইয়ের সমন্বয়েই বর্তমান সম্পর্কের বিকাশ ঘটেছে বলে বিশ্লেষণ করা যায়।
আরব দেশ ও ইরানের সঙ্গে সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ
ভারতের মধ্যপ্রাচ্য নীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক। জ্বালানি আমদানি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত বিপুলসংখ্যক ভারতীয় নাগরিকের কল্যাণ নয়াদিল্লির জন্য গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ।
ইরানের সঙ্গেও ভারতের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং কৌশলগত স্বার্থের কারণে তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়লেও ভারতকে এমন নীতি অনুসরণ করতে হয়, যাতে অন্য আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক অপ্রয়োজনীয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বিশ্লেষক কাদিরা পেথিয়াগোদা বলেছেন, প্রতিরক্ষা বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মতো স্বল্পমেয়াদি স্বার্থের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অবস্থান তৈরির লক্ষ্যও ভারতের রয়েছে। তাঁর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই লক্ষ্য অর্জনে ইসরায়েলের পাশাপাশি অন্য আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
পশ্চিম তীর প্রশ্নে ভারতের অবস্থান
গাজা নিয়ে ভারতের অবস্থান সমালোচিত হলেও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের ভূমি দখল ও বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে নয়াদিল্লি আন্তর্জাতিক বিবৃতিতে সমর্থন জানিয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের অক্টোবরে ভারত শতাধিক দেশ ও সংস্থার সঙ্গে এমন একটি বিবৃতিতে যোগ দেয়, যেখানে ১৯৬৭ সাল থেকে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের জনতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য ও অবস্থান পরিবর্তনের উদ্যোগের বিরোধিতা করা হয়।
তবে ভারত ওই বিবৃতিতে প্রথম দফার স্বাক্ষরের এক দিন পরে যুক্ত হয়। এ নিয়ে দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা তৈরি হয়। বিরোধীদের বক্তব্য, ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে ফিলিস্তিন প্রশ্নে ভারতের ঐতিহাসিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে, সরকারের নীতির সমর্থকেরা কৌশলগত সম্পর্ক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখাকে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ হিসেবে দেখেন।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে: আন্তর্জাতিক বিবৃতিতে যোগ দেওয়া এবং ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বা বাণিজ্য সম্পর্ক সীমিত করা এক ধরনের পদক্ষেপ নয়। ভারত এখন পর্যন্ত এই দুই ক্ষেত্রকে আলাদা রেখেই নীতি পরিচালনা করছে বলে বর্তমান ঘটনাপ্রবাহ থেকে বোঝা যায়।
মোদির ইসরায়েল নীতি কি ভারতের পুরোনো অবস্থান বদলে দিয়েছে?
মোদির আমলে ভারতের ইসরায়েল নীতিতে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন হলো সম্পর্কের প্রকাশ্যতা ও রাজনৈতিক গুরুত্ব। আগের সরকারগুলোর সময়েও দুই দেশের নিরাপত্তা ও সামরিক সহযোগিতা ছিল; তবে ফিলিস্তিনের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থনের সঙ্গে ইসরায়েলের সঙ্গে সহযোগিতা অনেক সময় আলাদা কূটনৈতিক পরিসরে পরিচালিত হতো। মোদি সরকারের আমলে এই দ্বৈত বাস্তবতা অনেক বেশি প্রকাশ্যে এসেছে।
তবে ভারতের আনুষ্ঠানিক নীতিতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি বা দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সমর্থন বাতিল হয়নি। ফলে পরিবর্তনটি পুরোপুরি ফিলিস্তিন থেকে ইসরায়েলের দিকে অবস্থান বদল—এমন সরল ব্যাখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়। বরং ভারতের নীতিতে ইসরায়েলের সঙ্গে বাস্তব সহযোগিতার গুরুত্ব বেড়েছে, আর ফিলিস্তিন প্রশ্নে সেই সম্পর্কের ওপর চাপ প্রয়োগের মাত্রা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সামনে ভারতের কূটনৈতিক পরীক্ষা
গাজা যুদ্ধ ভারতের সামনে একটি কঠিন কূটনৈতিক প্রশ্ন তুলে ধরেছে: কীভাবে ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বজায় রেখেও ফিলিস্তিনিদের অধিকার, আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবিক সংকটের বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য অবস্থান ধরে রাখা যায়?
ভারত যদি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ককে একমাত্র নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালনা করে, তাহলে ফিলিস্তিনপন্থী ঐতিহাসিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হতে পারে। আবার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক হঠাৎ সীমিত করলে প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বাস্তব ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। পাশাপাশি আরব দেশ ও ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা ভারতের সিদ্ধান্তকে আরও জটিল করে তুলেছে।
গাজা যুদ্ধ ভারতের ইসরায়েলমুখী নীতির সূচনা করেনি; বরং আগে থেকেই চলমান সম্পর্কের রাজনৈতিক তাৎপর্য আরও স্পষ্ট করেছে। মোদি সরকারের অধীনে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও নিরাপত্তায় দুই দেশের সহযোগিতা গভীর হয়েছে। একই সময়ে ফিলিস্তিন প্রশ্নে ভারতের বক্তব্য ও বাস্তব কূটনৈতিক পদক্ষেপের মধ্যে ব্যবধান আছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক বাড়ছে।
ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো—ইসরায়েলের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখা, ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্রের অধিকারকে সমর্থন করা এবং আরব দেশগুলোর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা করা। এই তিনটি লক্ষ্য কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, তার ওপরই ভবিষ্যতে ভারতের মধ্যপ্রাচ্য নীতির বিশ্বাসযোগ্যতা অনেকাংশে নির্ভর করবে।
হরমুজ প্রণালিতে ‘ভয়াবহ বিস্ফোরণ’, যা জানা যাচ্ছে
যেকোনো সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে ইরাকিরা
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা নয়: ট্রাম্প
ঈদের ছুটিতে বিয়ে, প্রবাসে গিয়ে কফিনবন্দি হলেন সাইফ