চীনের নতুন শক্তির প্রতীক প্রযুক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরি ‘ফুচিয়ান’

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৮ এএম

চীনের তৃতীয় বিমানবাহী রণতরি ‘ফুচিয়ান’ প্রাথমিক ধাপ পেরিয়ে এখন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ সক্ষমতা অর্জনের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। সমুদ্রসীমানায় দীর্ঘ পরীক্ষা ও প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করার পর রণতরিটি এই বড় সাফল্য অর্জন করেছে।

সামরিক বিশেষজ্ঞ চাং চুনস্যুর মতে, গত এক বছরে রণতরিটি বেশ কয়েকটি জটিল যুদ্ধ মহড়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নৌ বহরের অন্যান্য যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে ‘ফুচিয়ান’-এর সমন্বিত অভিযান পরিচালনার দক্ষতা বহুলাংশে বেড়েছে।

২০২২ সালে উদ্বোধনের পর ২০২৫ সালের নভেম্বরে সানইয়ার এক নৌঘাঁটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহরে যুক্ত করা হয়। কমিশনিংয়ের মাত্র ১৩ দিনের মাথায় রণতরিটি দূরসমুদ্রে লাইভ ফোর্স প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে বিশ্বকে চমকে দেয়।

রণতরিটি এরই মধ্যে তাইওয়ান প্রণালি, দক্ষিণ চীন সাগর, পূর্ব চীন সাগর ও পীত সাগরে একাধিক সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এতে জে-৩৫ স্টেলথ ফাইটার, জে-১৫টি এবং কেজে-৬০০ আর্লি ওয়ার্নিং বিমান ওঠানামা করানোর উচ্চ সক্ষমতা তৈরি হয়েছে।

বিশ্বে প্রচলিত জ্বালানিচালিত বিমানবাহী রণতরির মধ্যে ‘ফুচিয়ান’-েই প্রথম যুক্ত করা হয়েছে অত্যাধুনিক ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ক্যাটাপল্ট প্রযুক্তি। এই বিশেষ প্রযুক্তি সামরিক বিমানগুলোর টেক-অফ বা উড্ডয়ন প্রক্রিয়াকে বহুগুণ দ্রুত ও কার্যকর করে তোলে।

এই রণতরি যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে চীনা নৌবাহিনী এখন অফিসিয়ালি ‘তিন রণতরির যুগে’ প্রবেশ করল। এটি এশীয় অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি ও চীনের দূরসমুদ্রে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।

সূত্র: সিএমজি 

এইচএন
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত