ফুল বাগান করবেন?

আপডেট : ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:৩৬ এএম

বসতবাড়ি যতটুকুই হোক না কেন, গৃহকোণে একটু সবুজের স্পর্শ থাক- এটা সবাই চান। তবে অনেকেই জানেন না কিভাবে বাগান শুরু করা যায়। পুরো বিষয়টা নির্ভর করে আপনি কী ধরণের গাছ দিয়ে বাগানটা সাজাতে চান। ইনডোর হাউজপ্ল্যান্ট, ফুল বাগান, শাক-সবজি কি করবেন সেটা ঠিক করে নিন আগে। যারা সহজে ফুল বাগান করতে চান তাদের কিছু বিষয় মনে রাখা জরুরি। চলুন জেনে নেই , সেগুলো কী।

জায়গা নির্বাচন

ফুলের বাগান বানানোর জন্য সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জায়গা নির্বাচন করা। টবগুলো রাখার জন্যে একটি রোদ্র উজ্জ্বল জায়গা নিবার্চন করতে হবে। সেটা ছাদ কিংবা আপনার প্রিয় ব্যালকনিও হতে পারে। একটু খেয়াল রাখতে হবে সেটা যেন অতিরিক্ত রোদ্র-স্থান না হয়, এবং সকাল বেলার রোদটা যেন থাকে, কারণ সেটা ফুলের গাছের জন্য খুব জরুরি।

ফুল গাছের মাটি তৈরি

সবচেয়ে উত্তম মাটি হল দো-আঁশ মাটি। দো-আঁশ মাটিতেই ফুল বা ফলের গাছ সব চেয়ে ভালো হয়। গাছ লাগানোর আগে মাটিতে কম্পোস্ট সার বা পচা গোবর সার দিতে হবে। বিশেষ করে টবের ২-৩ সে. মি. উপরের দিকে। মাটি অবশ্যই ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি নার্সারি থেকে মাটি কেনা যায়।

গাছ বাছাই

ছাদের যত্ন হলো, মাটির ব্যবস্থাও হলো। এবার গাছ বাছাইয়ের পালা। যেহেতু বাগানটা ছাদে হবে তাই গাছ বাছতে হবে ভেবেচিন্তে। ছাদের বাগানে ফুল, ফল বা সবজি, যে ধরনের গাছই লাগান না কেন, গাছের আকার যতটা সম্ভব ছোট রাখবেন। যদি ফল গাছ লাগাতে চান, তবে গাছের উচ্চতা কম রেখে, বেশি ডালপালার ঝাড় রাখুন। লম্বা কাণ্ডের, কম ডালপালা গাছের অসুবিধে, এই ধরনের গাছ অল্প বাতাসেই নুয়ে যায় বা তার কাণ্ড ভেঙে যায়। ছাদে লাগানোর জন্য তাই লতানো এবং কম উচ্চতার গাছ নেওয়া সবদিক দিয়ে ভালো সিদ্ধান্ত। 

কোন কোন গাছ লাগাতে পারেন?

ফুলের বড় গাছ এড়িয়ে যে কোনও ধরনের ছোট ফুলের গাছ লাগানো যায়। গোলাপ, গাদা, বেলির মতো ছোট গাছের ফুল বা অপরাজিতা, মর্নিং গ্লোরি ইত্যাদি লতানো গাছ বেড়া তুলে দিয়ে চাষ করা সম্ভব।

পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা

বাগানের মাটি থেকে বের হওয়া অতিরিক্ত পানি ছাদের কংক্রিটের ক্ষতি করতে পারে। এছাড়াও ছাদে আগাছা জন্মে ছাদের মেঝেকে পিচ্ছিল ও ক্ষয় করে ফেলে তাই যে গাছই বোনা হোক না কেনো এবং যে পদ্ধতিতেই বোনা হোক না কেনো পানি নিষ্কাশনের জন্য সঠিক পরিকল্পনা থাকতে হবে।

SN/FI
আরও পড়ুন