সিলেট নগরীর অভিজাত হাউজিং এস্টেট এলাকায় ফিল্মি স্টাইলে সিএনজি থামিয়ে দিন দুপুরে প্রকাশ্যে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এসময় সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীরা ৩টি মোটরসাইকেল যোগে এসে এক নারীকে বহনকারী অটোরিকশা আটকে তার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরের হাউজিং এস্টেট মেইন রোডে এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের একটি সিসিটিভি ফুটেজ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, হাউজিং এস্টেটের মেইন রোডের ভেতরের দিকে একটি সিএনজি অটোরিকশা যাচ্ছিল। তিনটি মোটর সাইকেলে এসে মাথায় হেলমেট পরিহিত ছয়জন যুবক এসে ওই অটোরিকশার গতিরোধ করে। এরপর একজন মোটরসাইকেল থেকে নেমে অটিরিকশার ভেতরে থাকা ব্যাগ ধরে টানাটানি করে। কিছুক্ষণ টানাহ্যাঁচড়ার পর ব্যাগটি নিয়ে মোটর সাইকেল আরোহী ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। এসময় অটোরিকশা থেকে নেমে ছিনতাইয়ের শিকার নারীকে চিৎকার করতে দেখা যায়।
পুলিশ জানায়, হাউজিং এস্টেট এলাকার বাসিন্দা ওই নারী ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। ছিনতাইকারীরা ব্যাগে থাকা তার টাকা ও চেক বইয়ের কয়েকটি পাতা ছিনিয়ে নেয়। তবে ওই নারীর বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
একই এলাকার বাসিন্দা সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনা শোনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে আমি পুলিশকে দিয়েছি।
ছিনতাইকারীদের দ্রুত গ্রেফতারে পুলিশ কমিশনারের সাথেও কথা বলেছি। বিষয়টি আমরা খুব গুরুত্বের সাথে দেখছি।
তিনি বলেন, ঘটনা শুনে মনে হয়েছে এই ছিনতাইকারীরা ওই নারীর পরিচিত কেউ বা ব্যাংকের কেউ জড়িত থাকতে পারে। কারণ সিলেটে মানুষজন প্রতিদিনই টাকা নিয়ে ব্যাংকে যাওয়া আসা করে। এরকম ছিনতাইয়ের ঘটনা সাধারণত: ঘটে না।
এ ব্যাপারে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো: মোবাশ্বির বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় আমরা একটি মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। ছিনতাইকারীদের ধরতে আমরা অভিযান চালাচ্ছি।
অপবিত্র অবস্থায় সেহরি খাওয়ার বিধান
