যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

আপডেট : ০৭ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার কামাল্লা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাহবুবুল আলম মামুন সরকারের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত মামুন কামাল্লা গ্রামের মৃত আবুল হোসেন সরকারের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি।

জানা যায় যে, ঈদুল আজহা পরদিন গত ২৯ মে সকাল প্রায় ১১ টার দিকে মামুনের মুদি দোকানে মালামাল ক্রয় করার জন্য যায় ভিকটিম গৃহবধূ, দোকানে কেউ না থাকায় গৃহবধূকে জাপটে ধরে মামুন, গৃহবধূ ছাড়ার জন্য আকুতি জানালে রাস্তায় দিয়ে যাওয়ার সময় এক মহিলার চোখে পড়ে এ দৃশ্য। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গৃহবধূর স্বামী মামলা করার প্রস্তুতি নিলে, যুবলীগ নেতার হুমকির ভয়ে মামলা না করে সামাজিকভাবে মিমাংসা করার কথা বলে।

গত বৃহস্পতিবার গ্রামের আনোয়ার মেম্বারের পাশের বাড়িতে এক শালিসি বসে, শালিসিতে ভিকটিমের স্বামী অসুস্থ্য থাকায় শালিসি দরবার পিছানো হয়। শালিসি দরবারে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ইউপি সদস্য আনোয়ারা মেম্বার, সাবেক মেম্বার সালাউদ্দিন আহমেদসহ এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তি ও যুবসমাজ।

এক বছর পূর্বে মেহেদী নামের এক জনের স্ত্রীকে মামুন দোকানের ভিতরে ধর্ষণ করার অভিযোগে তাদের সংসারটি ভেঙে যায়, এ বিষয়ে মেহেদী বলেন, আমার একটি সন্তান আছে, মামুনের কারনে আমার সংসারটি ভেঙে গেছে আমি তার বিচার চাই।

তিন বছর পূর্বে আরও একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের অভিযোগ উঠলে মেয়েটির পরিবার মেয়ের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে মামুনের ভয়ে মামলা করতে পারেনি।

এ বিষয়কে কেন্দ্র করে যুবকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে, যে কোনো সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

অভিযুক্ত মাহবুবুল আলম মামুন সরকার বলেন, আমার দোকান ওই মহিলা এসেছিল। আমি মহিলাকে জড়িয়ে ধরি নাই। কিছু মহিলা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। আমি এসবের সাথে জড়িত নই।

YA
আরও পড়ুন