খুলনা মহানগরীর সদর থানা এলাকায় সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ১৫ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫–৪০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে সদর থানা পুলিশের এসআই তপন কুমার পাল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
আসামিরা হলেন-রনবীর বাড়ৈ সজল, অনুপ সরকার, মৃদুল, মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তায়েফুল ইসলাম তাজ, প্রসেনজিৎ, মো. শহিদুল ইসলাম, রাহাত আলী মোড়ল, অনিক হাসান পারভেজ, গৌতম সরকার কাকন, আছাফুর ঢালী, গোপাল চন্দ্র সাহা, মো. আক্তার শিকদার, মনিরুল ইসলাম মনি, রাজিব আহমেদ, জেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ এবং মো. রফিকুল ইসলাম পিন্টু। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত বুধবার ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট থেকে ৫টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে সদর থানাধীন তারের পুকুর-সংলগ্ন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে আসামিরা একত্রিত হন। সেখানে তারা বর্তমান সরকারকে উৎখাত, মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং অন্যান্য জেলার সঙ্গে খুলনার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশে সড়কে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও যানবাহন ভাঙচুরের চেষ্টা চালান।
একইসঙ্গে আসামিরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ‘ছাত্রলীগ’ ও আওয়ামী লীগের পক্ষে এবং সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আসামিরা পালিয়ে যান। পরে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ ও স্থানীয় লোকজনের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ আসামিদের নাম-ঠিকানা শনাক্ত করে।
সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, রাতে এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সন্তানের ঘরে ঠাঁই হয়নি, শতবর্ষী বৃদ্ধের পাশে দাঁড়ালেন প্রতিমন্ত্রী টুকু
সাভারে বাসা থেকে নারীর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার
নীলফামারীর জলঢাকায় প্রশাসনের ১৪৪ ধারা জারি