কক্সবাজারের রামুতে বিজিবির চেকপোস্টে ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এক এপিবিএন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মামলার এজাহারে তাঁর বাহিনীর পরিচয় উল্লেখ না করেই তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি জানাজানি হলে আটক ব্যক্তির এপিবিএন সদস্য হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট বাহিনী।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী মুন্না শিকদার (২৭) ১৬ এপিবিএনের সদস্য।
গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে রামুর মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্ট এলাকায় আরাকান সড়কে তাঁকে আটক করে বিজিবি। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, দুটি আইফোন ও নগদ ৫০ হাজার ৯৯০ টাকা জব্দ করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, সন্দেহজনকভাবে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় মুন্নাকে থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোটরসাইকেলের গোপন একটি বাক্সে বিশেষভাবে প্যাকেটজাত অবস্থায় ইয়াবাগুলো পাওয়া যায় বলে দাবি করেছে বিজিবি।
পরে মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকারী ৩০ বিজিবির নায়েক সুবেদার মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় ইয়াবাসহ মুন্নাকে গ্রেপ্তারের কথা থাকলেও তিনি এপিবিএনের সদস্য—এ তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
মামলার বাদী আরিফুর রহমান বলেন, আটক ব্যক্তি এপিবিএনের সদস্য কি না, তা তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। আটকের সময় পাওয়া নাম ও পরিচয়ের ভিত্তিতেই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে ফজলুল হক বলেন, বিজিবির করা এজাহারের ভিত্তিতে আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আটক ব্যক্তি এপিবিএনের সদস্য কি না, সে বিষয়েও তিনি নিশ্চিত নন। তবে অপরাধের সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক, আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
এদিকে বুধবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউসার সিদ্দিকী জানান, মোহাম্মদ আলী মুন্না শিকদার তাঁদের বাহিনীর সদস্য। তিনি ২১ দিনের ছুটিতে ছিলেন। ছুটির মধ্যেই তাঁকে ১৬ এপিবিএন থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়। তবে নতুন কর্মস্থলে এখনো যোগ দেননি।
অতিরিক্ত ডিআইজি কাউসার সিদ্দিকী বলেন, ছুটিতে থাকা অবস্থায়ই মুন্না এ ধরনের অপরাধে জড়িয়েছেন বলে জানা গেছে।
বজ্রপাত থেকে বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাসায় অগ্নিকাণ্ড
মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য দিয়ে ত্রাণ সামগ্রী বিতরনের অভিযোগ
১৩৫ দিনেই কোরআনের হাফেজ ৮ বছরের সাজিদ