কামরাঙ্গীরচরে যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১২ পিএম

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি শ্রমিক হোস্টেলে শৌচাগার  থেকে ইয়াকুব আলি (২৫) নামে এক যুবককে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত ইয়াকুব আলিকে তার কারখানার সহকর্মীরা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে তিনি মারা যান।

নিহত ইয়াকুব আলির বাড়ি মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল মালেক। তিনি মেটাডোর কোম্পানির একজন শ্রমিক ছিলেন।

মেটাডোর কোম্পানির সহকারী ব্যবস্থাপক বজলুর রহমান ঢামেক হাসপাতালে গণমাধ্যমকে জানান, রাতে খবর পেয়ে শ্রমিক হোস্টেলের টয়লেট থেকে ইয়াকুবকে গলাকাটা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে তিনি মারা যান।

তিনি আরও জানান, মেটাডোর কারখানার পাশেই তাদের হোস্টেল। একটি কক্ষে প্রায় ৮ জন কর্মচারী থাকেন। রাতে সবাই ডিউটিতে ছিলেন। ইয়াকুবেরও রাতে ডিউটি ছিল। রাত ১টার দিকে শরীর খারাপ লাগছে বলে তিনি কারখানা থেকে হোস্টেলে ফেরেন। এর কিছুক্ষণ পর তাকে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানাতে পারেননি।

খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন ইয়াকুব আলির বড় ভাই মো. আরফান। তিনি খবর সংযোগকে বলেন, মরদেহ দেখে তার মনে হয়েছে, ইয়াকুবকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তিন ভাইয়ের মধ্যে ইয়াকুব ছিলেন সবার ছোট।

কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুকের সাথে যোগাযোগ করা হলে খবর সংযোগকে বলেন, ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা তা তদন্ত শেষ বলা যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা দায়ের হয়নি। ঘটনাস্থলের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

AHA
আরও পড়ুন