প্রাথমিক শিক্ষক বদলি নীতিমালায় কী কী পরিবর্তন এসেছে

প্রাথমিক শিক্ষক বদলি নীতিমালায় পরিবর্তন

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:২২ পিএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি ও পদায়ন নীতিমালায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে সরকার। সংশোধিত নীতিমালায় প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তনের পাশাপাশি শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে সাতটি নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নতুন সংশোধিত নীতিমালা জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বদলি কমিটিতে সভাপতির মনোনীত দুজন করে শিক্ষানুরাগী বা বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন, যেখানে আগে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের রাখার বিধান ছিল। এ ছাড়া জাতীয় বদলি কমিটির সভাপতির দায়িত্বে বড় রদবদল এনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের পরিবর্তে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি) এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংশোধিত নীতিমালার নতুন শর্তানুযায়ী, কোনো সহকারী শিক্ষকের চাকরির মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হলে তিনি বদলির আবেদন করতে পারবেন না এবং একবার বদলি হলে পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে পুনরায় বদলির জন্য আবেদন করা যাবে না। 

বদলি প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণভাবে শূন্য পদের বিপরীতে কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের নিজস্ব আবেদন ছাড়া সাধারণভাবে কাউকে বদলি করা হবে না; তবে বিশেষ জনস্বার্থে জাতীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে এই নিয়ম শিথিল করা যেতে পারে। 

এ ছাড়া যেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষকের সংখ্যা পাঁচজন বা তার কম এবং যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৪০-এর বেশি, সেসব বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষককে বদলি করা যাবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক আবেদন জমা পড়লে সিনিয়ির শিক্ষকরা অগ্রাধিকার পাবেন এবং একটি বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ তিনজন শিক্ষককে সংযুক্তি পদায়ন করা যাবে। তবে সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারী শিক্ষকদের জন্য তাদের স্থায়ী ঠিকানা অথবা স্বামীর কর্মস্থল ও স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে বদলি হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকারের বিধান রাখা হয়েছে।

SN
আরও পড়ুন