আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের চুলগুলো ভীষণ কোঁকড়া। ছেলেই হোন বা মেয়ে কোঁকড়া চুলের অধিকারী জানেন এই চুলের উজ্জ্বলতা এবং হাইড্রেটিং বজায় রাখা অনেকটাই চ্যালেঞ্জের বিষয়। প্রয়োজনীয় যত্নের অভাবে চুল অনেক ক্ষেত্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে সঠিক কৌশল অবলম্বনে এবং সঠিক পণ্যের ব্যবহারে কোঁকড়া চুল সহজেই প্রাণোবন্ত করতে পারেন। জেনে নিন কৌশলগুলো-

কোঁকড়া চুলে হাইড্রেশন বজায় রাখুন: কোঁকড়া চুলের যত্ন নিতে সর্বপ্রথম হাইড্রেশন বজায় রাখা জরুরি। যেহেতু কোঁকড়া চুলগুলো সোজা চুল থেকে বেশি শুষ্ক থাকে। কোঁকড়া চুলের শুষ্কতা দূর করতে ময়েশ্চেরাইজ যুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। কোঁকড়া চুলকে পরিপুষ্ট রাখতে নারিকেল তেল ব্যবহার করুন।
লিভ-ইন কন্ডিশনার: শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোয়ার পর লিভ-ইন কনডিশনার ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে চওড়া দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়িয়ে নিতে পারেন।
অতিরিক্ত শ্যাম্পু এড়িয়ে চলুন: চুলে অতিরিক্ত শ্যাম্পু করলে পরবর্তীতে চুল থেকে ধীরে ধীরে প্রাকৃতিক তেলের নির্জাস বের হয়ে যায়। ফলে কোঁকড়া চুল সহজেই শুষ্ক হয়ে পড়ে। চুলের আগা ভেঙে যেতে পারে। আপনার চুলের ধরণ এবং জীবনযাপন অনুযায়ী সপ্তাহে দুইবার অথবা তিনবার চুলে শ্যাম্পু করুন। অন্যথায় বাড়িতে ওয়াটার বেসড স্প্রে দিয়ে চুলগুলো স্প্রে করে নিতে পারেন। স্প্রে করার পর চুল শুকাতে একটি মাইক্রোফাইবার তোয়ালে ব্যবহার করুন। গামছা ব্যবহারে কোঁকড়া চুল আরো রুক্ষ হতে পারে। চুলের পানি শুকাতে তোয়ালে দিয়ে জোরে ঘষবেন না। কোঁকড়া চুলের ময়েশ্চারাইজ ধরে রাখতে আলতো হাতে মুছুন।
কোঁকড়া চুলে স্টাইলিং প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন: কোঁকড়া চুল শুকানোর পর তাতে স্টাইলিংয়ের জন্য কার্ল ক্রিম, হেয়ার ক্রিম, চুলের জেল এবং যথাযথ পণ্য ব্যবহার করুন। খেয়াল রাখবেন, চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত যেন তা ভালোভাবে পৌঁছায়।
ঘুমানোর সময় কোঁকড়া চুলকে রক্ষা করবেন যেভাবে: চুল কোঁকড়া হলে ঘুমানোর আগে তা ভালোভাবে আঁচড়িয়ে নিন। ঘুমানোর সময় সিল্ক বালিশের কভার ব্যবহার করুন।
নিয়মিত ছাঁটুন: কোঁকড়া চুল যেন নিস্তেজ এবং নিষ্প্রাণ না দেখায় সে কারণে নিয়মিত ছাটুন । স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য প্রতি ৮-১২ সপ্তাহ পরপর কোঁকড়া চুলের আগা কাটুন।
অতিরিক্ত হিট করা থেকে বিরত থাকুন: চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ার এড়িয়ে চলুন। এতে অতিরিক্ত হিট লেগে চুলগুলো ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে।
