প্রতিদিন ১০০টি পর্যন্ত চুল পড়া স্বাভাবিক বিষয়। তবে চুল পড়ার সাথে সাথে যদি নতুন চুল না গজায় কিংবা অতিরিক্ত মাত্রায় চুল পড়তে শুরু করে, তবে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সঠিক সময়ে যত্ন না নিলে মাথার চুল ধীরে ধীরে পাতলা হয়ে যেতে পারে।
চুল পড়ার মূল কারণসমূহ
অতিরিক্ত চুল পড়ার পেছনে কিছু নির্দিষ্ট কারণ থাকতে পারে, যেমন: স্ক্যাল্পে বা চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে না হওয়া, রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া), অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা, চুলে অতিরিক্ত কেমিক্যাল, রং বা খুশকির সমস্যা থাকা, বড় কোনো অসুস্থতা কিংবা দীর্ঘদিন উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক সেবন।
চুল পড়া রোধে প্রয়োজনীয় কিছু ঘরোয়া উপায়
সপ্তাহে অন্তত একদিন ডিমের কুসুমের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ভালো করে মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করুন। এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল হালকা গরম করে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। তুলার সাহায্যে চুলের গোড়ায় ভালোভাবে ম্যাসাজ করে দুই ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। আমলকি ও জবা ফুল নারিকেল তেলে দিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে বোতলে রেখে দিন।
শ্যাম্পু করার আগে নিয়মিত এই তেল চুলে ব্যবহার করলে চুল পড়া কমে। নারিকেল তেলের সঙ্গে কিছুটা দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে গোড়ায় ম্যাসাজ করলেও চুল পড়া রোধ হয়। এছাড়াও আমলা, শিকাকাই, মেথি ও রিঠা একসঙ্গে রাতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন পেস্ট তৈরি করে চুলে ব্যবহার করতে পারেন, যা প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে।
দৈনন্দিন কিছু জরুরি নিয়ম
ঘুমানোর আগে মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে আলতো করে চুল আঁচড়ে নিন। এতে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি, পর্যাপ্ত তাজা ফলমূল এবং প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখুন। শরীর ও চুল হাইড্রেটেড রাখতে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। মানসিকভাবে চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন এবং সুষম ডায়েট চার্ট মেনে চলুন।
প্রতিদিন নিয়ম করে চুলের যত্নে সহজ কিছু মেনে চললেই, আপনার চুল থাকবে ঝরঝরে সুন্দর ও মসৃণ।
মুক্তির দশম দিনে ৩০০ কোটির ক্লাবে ‘দৃশ্যম ৩’
বিশ্বকাপের পাওয়ার র্যাংকিংয়ে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার ওপরে বাংলাদেশ
এআই নিয়ে শায়েখ সুদাইসের সতর্কবার্তা