ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রযুক্তিনির্ভর পাঁচটি পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন ভবনের কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল থেকে সার্বক্ষণিকভাবে সারা দেশের পরিস্থিতি নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলে গিয়ে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিভিন্ন উৎস থেকে আসা ভিডিও ফিড পর্যবেক্ষণ করছেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, যেসব পাঁচ প্রযুক্তির মাধ্যমে ভোট পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে সেগুলো হলো ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরে থাকা বডি ওর্ন ক্যামেরা, ড্রোন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর মানুষবিহীন আকাশযান (ইউএভি), ‘নির্বাচন সুরক্ষা’ মোবাইল অ্যাপ।
এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে কেন্দ্রভিত্তিক ভিডিও চিত্র ও তথ্য সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, নজরদারি নিশ্চিতে দেশের ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ভোটগ্রহণে দায়িত্ব পালন করছেন পাঁচ লাখের বেশি পোলিং কর্মকর্তা। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরেও বডি ওর্ন ক্যামেরা সংযুক্ত রয়েছে।
দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে, নির্বাচন কমিশন সতর্ক করে জানিয়েছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা, ভোটকেন্দ্রে বাধা প্রদান, ভোট কেনাবেচা ও জাল ভোট দেওয়ার মতো অপরাধ কঠোরভাবে দমন করা হবে। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সারাদেশের ভোটদানের চিত্র পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা
প্রথম সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ
