রোহিঙ্গা সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধানে বিশ্বসমাজকে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে মর্যাদাপূর্ণ ফেরানো নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সংহতি বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে গিয়ে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক প্রধান বারহাম সালেহ এবং মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কেবল মানবিক দিক বিবেচনা করে এত বিশাল জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই সংকট জিইয়ে রাখা বাংলাদেশের ওপর অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি মিয়ানমারে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। যেন রোহিঙ্গারা তাঁদের মৌলিক অধিকার ও সম্মান নিয়ে নিজ ভিটায় ফিরে যেতে পারেন।
জাতিসংঘ প্রতিনিধি বারহাম সালেহ বাংলাদেশের মানবিক উদারতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে তিনি এই মানবিক সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বৈশ্বিক প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন।
বিশেষ দূত জুলি বিশপের সাথে সাক্ষা্যেও টেকসই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার রূপরেখা প্রাধান্য পায়। ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া এই সংকট নিরসনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপের কথা তুলে ধরা হয়।
অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান ও বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্টের সাথেও দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নেন।
সময়সূচি অনুযায়ী ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি বৈশ্বিক বৈষম্য ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের বেশ কয়েকটি বৈশ্বিক সম্মেলনে বক্তৃতা প্রদান করবেন।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মূল মঞ্চে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের প্রধান হিসেবে এটিই হবে তাঁর প্রথম বাংলায় দেওয়া ভাষণ।
তথ্যে অস্বচ্ছতা, গুগলকে ৪০৩ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা
যুক্তরাষ্ট্রকে দমাতে ইরানের অত্যাধুনিক অস্ত্র পরীক্ষা
জাতিসংঘে ইরানের সাথে ফলপ্রসূ বৈঠক, নিশ্চিত করলেন ট্রাম্প