ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন শাখার মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির নৌবাহিনীর উত্তরাঞ্চলীয় নৌবহর ও চতুর্থ নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহসেন রাজ্জাকি। শনিবার (৭ নভেম্বর) ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলীয় শহর আসতারায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মোহসেন রাজ্জাকি বলেন, নৌবাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হলো এর মানবসম্পদ। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ইউনিট থেকে শুরু করে কমান্ডো বাহিনী পর্যন্ত নৌবাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দেশের সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছেন। ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও নৌ সামরিক সক্ষমতা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং দেশটির জনগণের দৃঢ়তা ও প্রতিরোধের মানসিকতা সবকিছু মিলিয়ে ইরানের প্রতিরক্ষা শক্তি গড়ে উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কৌশল কেবল শত্রুতার অবসান ঘটানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভবিষ্যতে দেশটির বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনের মূল্য এতটাই বাড়িয়ে দিতে হবে, যাতে শত্রুপক্ষ আর কখনো ইরানে হামলার সাহস না পায়।
প্যারাগুয়ের ক্ষমতাচ্যুত পেনিয়া: কে এই নতুন প্রেসিডেন্ট আলিয়ানা?
ইরানে সমুদ্র অবরোধের পর এবার স্থলপথে চাপ