নির্বাচন কমিশনকে কড়া বার্তা দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আমি বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করছি। প্রশাসন যদি পুরোপুরি নিরপেক্ষ না থাকে, তবে ছাত্র-জনতার ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মতো পরিস্থিতি আবারও তৈরি হতে পারে। ২০১৮ সালের মতো আরেকটি কারচুপির নির্বাচন হলে তার পরিণতি কারও জন্যই ভালো হবে না।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজের নিরাপত্তা ও প্রচারণায় বাধা দেওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সঙ্গেও কথা বলবেন বলে জানান রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে আমার বৈঠক আছে। আমি তাদের মাঠের প্রকৃত চিত্র এবং শঙ্কার কথাগুলো বিস্তারিত অবহিত করব।
জনগণের ভোটের অধিকার আদায়ে দীর্ঘ সংগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এ দেশের মানুষ ১৫ বছর লড়াই করেছে। আমরা যে যার অবস্থান থেকে রাজপথে ছিলাম। ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশে আর কোনো কারচুপির নির্বাচন হতে দেব না।
রুমিন ফারহানা হুঁশিয়ারি করে বলেছেন, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কারচুপির খেলা খেলার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়। এবার কোনো ধরনের ম্যানিপুলেটেড নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমার আজ নির্বাচনি মাঠে থাকার কথা ছিল, কিন্তু বাধ্য হয়ে ঢাকায় আসতে হয়েছে। কারণ আমার কাছে মনে হয়েছে, প্রশাসন ও পুলিশের যতটা নিরপেক্ষ থাকার কথা, তারা ততটা নিরপেক্ষ নয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হচ্ছে। কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা করা হয়েছে, তাদের পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, মাথা ফাটানো হয়েছে। এমনকি বাড়িতে আগুন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। অথচ এখন পর্যন্ত পুলিশ কোনো মামলা নেয়নি।
প্রতিকূলতা সত্ত্বেও পিছু হটবেন না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি মাঠে যত অভিযোগই থাকুক, আমি শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।
দিল্লি নয়, পিন্ডি নয় সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান
ইনসাফের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জামায়েতের ভূমিধস বিজয় হবে: ব্যারিস্টার আরমান
