বিচারাধীন বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা আইনসিদ্ধ নয়: কাদের

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৪, ০২:২০ পিএম

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যে বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন তা নিয়ে কোনো প্রকার মন্তব্য করা আইনসিদ্ধ নয়। আমরা মনে করি, দেশের উচ্চ আদালত বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে রায় প্রদান করবে।

সোমবার (৮ জুলাই) দুপুরে ধানমণ্ডি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল যুব মহিলা লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কিছু কথা বলেছেন ওইটাই আমাদের বক্তব্য।

কাদের আরও বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন এবং আদালত উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে নিশ্চয় একটা চূড়ান্ত রায় প্রদান করবেন। উচ্চ আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে এবং কোনো প্রকার উত্তেজনা ও রাস্তাঘাট বন্ধ করে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি পরিহার করা উচিৎ। বিশেষত এইচএসসি পরীক্ষার্থী অভিভাবকদের অসুবিধা হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০১৮ সালে পরিপত্র জারি করে সকল প্রকার কোটা বাতিল করেছে। এই আদেশের বিরুদ্ধে ৭ জন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উচ্চ আদালতে রিট করে। দেশের উচ্চ আদালত হাইকোর্ট কোটা বাতিলের পরিপত্রও বাতিল করেছে।

সরকারের পক্ষের আইনজীবী আপিল করেছে। সরকার কোটা বাতিলের পক্ষে আন্তরিক বলেই অ্যাটর্নি জেলারেল আপিল দায়ের করেছে।

শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে সংগ্রাম শুরু করেছে তার মূল চালিকাশক্তি হলো মেধাবী জনগোষ্ঠী। শিক্ষিত দক্ষ স্মার্ট প্রজন্ম গঠনের মধ্য দিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের সংগ্রামকে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে নিতে মেধাবী তরুণ প্রজন্ম আমাদের প্রয়োজন।

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, এখানে আমাদের একটা বিষয় সকলের জানা দরকার এর আগে যে কোটা আন্দোলন বাংলাদেশে হয়েছিল সেই কোটা আন্দোলনের প্রথম সারির ৩১ জন নেতা তারা কিন্তু সিভিল সার্ভিস বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এটার হিসাব আপনারা নিতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, এই কোটা আন্দোলনে পলিটিক্সের উপাদান যুক্ত হয়ে গেছে। আমাদের ডিভাইসিভ পলিটিক্স পোলারাইজড পলিটিক্স এখানে যুক্ত হয়ে গেছে। কারণ বিএনপি প্রকাশ্যে এবং তাদের সমমনারা তারা এই কোটা আন্দোলনের উপর ভর করেছে। তারা সাপোর্ট করেছে প্রকাশ্যেই। সাপোর্ট করা মানেই তারা এরমধ্যে অংশগ্রহণও করেছে। কাজেই এটা এখন পোলারাইজড পলিটিক্সের ধারার মধ্যেই পড়ে গেছে। এটার পলিটিক্যাল কালার নতুন করে বলার আর অপেক্ষা রাখে না। এখানে কারা কারা যুক্ত আছে, কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ কিনা, সেটা যে আন্দোলনের গতিধারা এরমধ্যেই বোঝা যাবে। এই গতিধারায় সবকিছুই সময়ের পরিবর্তনে সব কিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে। কোনো কিছুই হাইড করা সম্ভব হবে না। সেটা আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।

SM/FI
আরও পড়ুন