জিলহজ্জ মাসের ৯ রোজা রাখার ফজিলত

আপডেট : ২৪ জুন ২০২৩, ০৭:৪২ পিএম

ওয়ালিউল্লাহ সিরাজ: অনেক ফজিলতপূর্ণ একটি মাস জিলহজ্জ। এই মাসের প্রথম ১০ দিনের মর্যাদা, মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনায় আল্লাহ তাআলা কসম করে বলেন, শপথ প্রভাতের। শপথ ১০ রাতের। (সুরা ফাজর: ১-২) তাফসিরবিদরা বলেন, এখানে যে ১০ রাতের কথা বলা হয়েছে, এর মাধ্যমে জিলহজ্জের প্রথম দশককেই বোঝানো হয়েছে। (তাফসিরে ইবনে কাসির, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা-৫৩৫) 

জিলহজ্জ মাসের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা সুন্নত। এসব দিনে রোজার বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। হাফসা (রা.) বর্ণনা করেছেন, চারটি আমল নবী কারিম (সা.) কখনো ছাড়তেন না। আশুরার রোজা, জিলহজ্জের প্রথম দশকের রোজা, প্রতি মাসের তিনদিনের রোজা, ফজরের আগে দুই রাকাত সুন্নত নামাজ। (সুনানে নাসায়ি: ২৪১৫) 

এই মাসের নবম দিনের রোজা সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আরাফার দিনের (৯ তারিখের) রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে তিনি এর দ্বারা বিগত এক বছর ও আগামী বছরের গুনাহ মাফ করবেন। (সহিহ মুসলিম: ১১৬২; আবু দাউদ: ২৪২৫)

জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, মহান আল্লাহর কাছে জিলহজ্জের ১০ দিনের চেয়ে উত্তম কোনো দিন নেই। (সহিহ ইবনে হিববান: ২৮৪২) তাই এই ১০ দিন বেশি বেশি নেক আমল করার ফজিলত অনেক বেশি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জিলহজ্জ মাসে বেশি বেশি ইবাদত বন্দেগি করার তাওফিক দান করুন। সুন্নতের অনুসরণে প্রথম নয়দিন রোজা রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।

WA
আরও পড়ুন