ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু কি নিছকই স্বাভাবিক ছিল, নাকি এর পেছনে ছিল চিকিৎসকদের চরম অবহেলা? এই অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) থেকে আর্জেন্টিনায় নতুন করে শুরু হয়েছে বহুল আলোচিত এই মামলার বিচারকাজ।
এক বিচারককে ঘিরে বিতর্ক ও নীতিগত লঙ্ঘনের অভিযোগে আগের বিচার প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়ার পর এই মামলা পুনরায় শুরু হলো।
মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন ছিলেন ম্যারাডোনা। হাসপাতাল থেকে ফেরার কিছুদিন পর মৃত্যু হয় তার। অভিযোগ ওঠে চিকিৎসকদের চিকিৎসাজনিত অবহেলার কারণে মারা গেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক।
২০২০ সালের নভেম্বরে আর্জেন্টাইন লিজেন্ড প্রয়াত হওয়ার পর তার সাত সদস্যের মেডিক্যাল টিমকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়। ম্যারাডোনার সন্তানসহ সাক্ষীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আড়াই মাস পর বিচার কার্যক্রম মাঝপথে থমকে যায়।
২০২৫ সালের মে মাসে বিচার কার্যক্রম বাতিল হয়। এক বিচারকের বিরুদ্ধে মামলাসংক্রান্ত একটি ডকুমেন্টারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে, যা ছিল নীতির লংঘন। বিচারক জুলিয়েতা মাকিনতাখকে পরে অভিসংশন করা হয়।
এই নতুন বিচারে ১২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে এবং ম্যারাডোনার মৃত্যুর জন্য তার মেডিক্যাল টিম দায়ী কি না, সেটা খতিয়ে দেখা হবে। অভিযুক্তদের তালিকায় আছেন চিকিৎসক, মনোবিদ ও নার্স। ম্যারাডোনা হাসপাতাল থেকে ফেরার পর তাদের কাছেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে চিকিৎসাজনিত অবহেলার অভিযোগ প্রমাণ হলে ৮ থেকে ২৫ বছরের জেল হতে পারে।
বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, নিশ্চিত করলেন ফিফা প্রধান
