মেসির ফুটবল মস্তিষ্ক সবার চেয়ে ১০ সেকেন্ড এগিয়ে!

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৭ এএম

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণে মুখোমুখি হচ্ছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা ও রদ্রির স্পেন। রবিবাসরীয় এই ফাইনালকে ঘিরে ফুটবল বিশ্বে চলছে টানটান উত্তেজনা। তবে এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে রোমাঞ্চিত মানুষটি সম্ভবত ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক মাস্টারমাইন্ড পেপ গার্দিওলা।

বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্ট দলের অধিনায়ক মেসি ও রদ্রি—উভয়ের সাথেই জড়িয়ে রয়েছে গার্দিওলার নাম। বার্সেলোনায় মেসির জাদুকরী উত্থান এবং ম্যানসিটিতে রদ্রির বিশ্বসেরা হয়ে ওঠা, দুটোই হয়েছে তার হাত ধরে। গার্দিওলার অধীনে খেলেই এই দুই কিংবদন্তি ক্যারিয়ারের প্রথম ব্যালন ডি’অর জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন।

সাবেক দুই শিষ্যের এই দ্বৈরথ গার্দিওলার জন্য দারুণ উপভোগ্য হলেও, একজন স্প্যানিশ হিসেবে তিনি রদ্রির হাতেই ট্রফি দেখতে চান। লা ফুরিয়ারোজাদের ফাইনালের মঞ্চে তোলার পেছনে ৩০ বছর বয়সি এই মিডফিল্ড জেনারেলের অবদান অপরিসীম। গার্দিওলার মতে, এবারের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে রদ্রির পারফরম্যান্সের ওপরই।

এক সাক্ষাৎকারে গার্দিওলা বলেন, “আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঝমাঠে রদ্রির ভূমিকা হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সে যদি পেদ্রি ও ইয়ামালকে সাথে নিয়ে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে, তবে স্পেনই ব্যবধান গড়ে দেবে।” তবে ৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন জাদুকর লিওনেল মেসিকে থামানো যে সহজ হবে না, সেটিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মেসির এমন অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সে মুগ্ধ গার্দিওলা জানান, ফুটবলে মেসির কোনো বিকল্প নেই। গার্দিওলার ভাষায়, “মেসির ফুটবল মস্তিষ্ক মাঠের অন্য সবার চেয়ে অন্তত ১০ সেকেন্ড এগিয়ে থাকে। সে নিজে বেশি না দৌড়ালেও, তার পাস ও বুদ্ধিমত্তা পুরো প্রতিপক্ষকে তটস্থ করে রাখে।”

চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিদায়ও হয়েছিল মেসির এই ক্ষুরধার ফুটবল মস্তিষ্কের কাছে পরাস্ত হয়ে। যেখানে ৩৯ বছর বয়সে ফুটবলাররা ধারাভাষ্য কক্ষে সময় কাটান, সেখানে মেসি প্রতিনিয়ত নতুন ইতিহাস লিখছেন। সাবেক শিষ্যের প্রশংসা করে গার্দিওলা যোগ করেন, “বিশ্ব ফুটবলে মেসির মতো মহাতারকা আর দ্বিতীয়টি আসবে না।”

তথ্যসূত্র (Source): সাম্প্রতিক এক মিডিয়া সাক্ষাৎকার (Media Interview).

HN
আরও পড়ুন