বাংলাদেশ ও ভারত থেকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে যখন

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৭ এএম

সাম্প্রতিক সূর্যগ্রহণ থেকে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ বঞ্চিত হলেও এবার বড় এক মহাজাগতিক দৃশ্য দেখার সুযোগ আসছে। আগামী ৩ মার্চ আকাশে দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, যা বাংলাদেশ ও ভারত থেকেও প্রত্যক্ষ করা যাবে। পূর্ণগ্রাসের সময় চাঁদের রং লাল হয়ে ওঠার কারণে একে ‘রক্ত চাঁদ’ বা ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়।

চন্দ্রগ্রহণ কেন হয়?
চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে সে উজ্জ্বল থাকে। তবে পৃথিবী যখন চাঁদ ও সূর্যের মাঝখানে চলে আসে, তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। একেই চন্দ্রগ্রহণ বলা হয়। সূর্যগ্রহণের মতো এটি দেখতে কোনো বিশেষ চশমা বা সরঞ্জামের প্রয়োজন নেই; খালি চোখেই অনায়াস উপভোগ করা যায়। চন্দ্রগ্রহণ সাধারণত সূর্যগ্রহণের তুলনায় দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয়।

কখন এবং কোথায় দেখা যাবে?
৩ মার্চ পৃথিবীর যে অংশে রাত থাকবে, সেখান থেকেই এই গ্রহণ দেখা যাবে। উত্তর আমেরিকার পশ্চিমাঞ্চলসহ এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন দেশ থেকে এটি দৃশ্যমান হবে। পূর্ণগ্রাসের সবচেয়ে নাটকীয় পর্যায়টি চলবে প্রায় ৫৮ মিনিট ১৫ সেকেন্ড।

বাংলাদেশ ও ভারতে দেখার সময়:
বাংলাদেশ ও ভারতে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ৩ মার্চ বিকেল থেকে। সময়সূচি নিম্নরূপ:

বাংলাদেশ সময়: পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ২৮ মিনিটে এবং শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিটে। এরপর খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ চলবে রাত ৮টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত।

ভারতীয় সময়: ভারতে পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৪টা ৫৮ মিনিটে এবং শেষ হবে বিকেল ৫টা ৩২ মিনিটে। খণ্ডগ্রাস গ্রহণ দেখা যাবে রাত ৭টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত।

চাঁদ কেন লাল হয়?
পূর্ণগ্রাসের সময় চাঁদ পুরোপুরি কালো না হয়ে কালচে লাল বর্ণ ধারণ করে। এর কারণ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল। সূর্যের আলো যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে প্রতিসরিত হয়, তখন নীল আলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়লেও লাল অংশটি কম প্রতিসরিত হয়ে সরাসরি চাঁদের ওপর গিয়ে পড়ে। এই প্রতিসরণ প্রক্রিয়ার কারণেই গ্রহণ চলাকালীন চাঁদকে রক্তিম বা ‘ব্লাড মুন’ দেখায়।

DR
আরও পড়ুন