ইরানের নৌশক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি: পেন্টাগন

আপডেট : ০১ মে ২০২৬, ০৬:১০ পিএম

ইরানের নৌবাহিনীর সামরিক সক্ষমতা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন। পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, ইরানের নৌশক্তিকে পুরোপুরি ধ্বংস করা সম্ভব হয়নি এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে তারা এখনও সক্রিয় রয়েছে।

শুক্রবার (১ মে) মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটির এক শুনানিতে এই তথ্য দেন যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন।

জেনারেল ড্যান কেইন জানান, মার্কিন অভিযানে ইরানের নৌবাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও তাদের ‘ফাস্ট অ্যাটাক বোট’ বা দ্রুতগামী ক্ষুদ্র যুদ্ধযানগুলো এখনও বড় ধরণের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, “ইরানের কাছে এখনও ছোট ও অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন কিছু যুদ্ধযান রয়ে গেছে যা হরমুজ প্রণালিতে সরাসরি অভিযানে সক্ষম।” সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ছোট বোটগুলো ব্যবহার করেই ইরান অতর্কিত হামলা এবং নৌ-অবরোধ বজায় রাখতে পারছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের ১৫৯টি জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে এবং দেশটির নৌবাহিনী এখন কার্যত অকার্যকর। ট্রাম্পের সেই হুঙ্কার ও অঙ্গীকারের বিপরীতে পেন্টাগনের এই স্বীকারোক্তি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে সামরিকভাবে যতটা ‘পঙ্গু’ দাবি করছে, বাস্তবে চিত্রটি তেমন নয়।

বিশ্ব তেলের বাজারের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালিতে ইরানের এই ক্ষুদ্র কিন্তু কার্যকর নৌযানের উপস্থিতি মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য বড় ধরণের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পেন্টাগন এখন স্বীকার করছে যে, ইরানকে সমুদ্রপথে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা এখনও বাকি। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর 

FJ
আরও পড়ুন