অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত রুশ কূটনৈতিক মিশনের ছাদে অত্যাধুনিক সরঞ্জামের মাধ্যমে তথ্য চুরির অভিযোগে তিন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে দেশটির সরকার।
স্নায়ুযুদ্ধের আমল থেকেই ভিয়েনাকে ইউরোপের ‘গোয়েন্দা তৎপরতার কেন্দ্রবিন্দু’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সম্প্রতি সেখানে অবৈধভাবে তথ্য সংগ্রহের অকাট্য প্রমাণ পাওয়ার পর অস্ট্রিয়া এই কঠোর পদক্ষেপ নিল।
অস্ট্রিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের ওআরএফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিয়েনায় রুশ কূটনৈতিক ভবনের ছাদে স্থাপিত সন্দেহজনক নজরদারি সরঞ্জাম নিয়ে তদন্তের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসব অবকাঠামো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর স্যাটেলাইট যোগাযোগে আড়িপাতার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযুক্ত তিনজন এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে কূটনৈতিক দায়মুক্তি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হলেও মস্কো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সাড়া দেয়নি। পরে তাদের ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ ঘোষণা করে অস্ট্রিয়া। বহিষ্কৃত তিন কর্মকর্তা ইতিমধ্যে অস্ট্রিয়া ছেড়ে গেছেন।
অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিয়াট মেইনল-রাইসিংগার সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, কূটনৈতিক দায়মুক্তির সুযোগ নিয়ে গোয়েন্দাগিরি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ভিয়েনায় রুশ তৎপরতা নিয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ২০২২ সালের পর এ পর্যন্ত মোট ১৪ রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে অস্ট্রিয়া, যদিও এখনো প্রায় ২২০ কর্মী বিভিন্ন মিশনে দায়িত্বে রয়েছেন।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা