মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরকে ঘিরে এক রাজকীয় পরিবেশ তৈরি করেছে চীন। সফরের শুরু থেকেই ট্রাম্পকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ আতিথেয়তা, যা দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের পথ প্রশস্ত করার একটি সুপরিকল্পিত কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সফরের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ ছিল চীনের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ‘জংনানহাই’-তে ট্রাম্পের উপস্থিতি। এটি পৃথিবীর অন্যতম গোপন ও সুরক্ষিত এলাকা, যেখানে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং শীর্ষ নেতৃত্ব বসবাস ও কাজ করেন। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির বাইরের খুব কম সংখ্যক মানুষ সেখানে প্রবেশের অনুমতি পান।
এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ডাচ রাজার মতো হাতেগোনা কয়েকজন নেতার এই সৌভাগ্য হয়েছিল। ট্রাম্পকে সেখানে আমন্ত্রণ জানিয়ে বেইজিং তাকে বিশেষ সম্মানের আসনেই বসিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পকে এই বিরল সম্মান প্রদানের মূল উদ্দেশ্য হলো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের তিক্ততা কমিয়ে একটি ইতিবাচক সুর তৈরি করা। যদিও বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া বার্তাগুলো বেশ অস্পষ্ট—যা চীনা কূটনীতির একটি পরিচিত বৈশিষ্ট্য—তবুও সফরটি সামগ্রিকভাবে অত্যন্ত ইতিবাচক ছিল বলে জানানো হয়েছে।
চীনের পক্ষ থেকে এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল গত কয়েক বছরের বৈরিতা ও উত্তেজনা কাটিয়ে সম্পর্কের ‘রিসেট’ বা নতুন করে শুরু করা। আগামী অন্তত তিন বছরের জন্য দুই দেশের সম্পর্কের একটি স্থিতিশীল কাঠামো দাঁড় করাতেই শি জিনপিং এই আতিথেয়তাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছেন। সূত্র: আল জাজিরা
চীন ছাড়লেন ট্রাম্প
ট্রাম্প-শি বৈঠক বিশ্বে ‘প্রয়োজনীয় স্থিতিশীলতা ও নিশ্চয়তা’ বয়ে এনেছে: চীন