নিজেদের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
মঙ্গলবার আইআরজিসির নিজস্ব ওয়েবসাইট ‘সেপাহ নিউজ’-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুধু ড্রোনই নয়, ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো একটি আরকিউ-৪ ড্রোন এবং অত্যাধুনিক এফ-৩৫ ফাইটার জেটের দিকেও লক্ষ্যভ্রষ্ট করার উদ্দেশ্যে গুলি ছুড়েছে। তবে ঠিক কোন সময়ে এই ঘটনাগুলো ঘটেছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য আইআরজিসি জানায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে যখন সৌদি আরবে কয়েক লাখ মুসল্লি হজ পালনে সমবেত হয়েছেন, ঠিক তখনই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি খাদের কিনারায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংঘাতের সূত্রপাত হয় মূলত সোমবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) একটি ঘোষণার পর। সেন্টকম জানায়, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে দক্ষিণ ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং মাইন স্থাপনের চেষ্টা করায় তারা কয়েকটি স্পিডবোটে বিমান হামলা চালিয়েছে। যদিও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার কথা স্বীকার করেনি, তবে বন্দর আব্বাসসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বিকট বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
এদিকে, গত মার্চ মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে না এলেও এক লিখিত বার্তায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেওয়া ওই বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, সময়ের চাকা আর পেছনের দিকে ঘুরবে না এবং এই অঞ্চলের দেশগুলো আর কখনোই মার্কিন ঘাঁটির জন্য ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হবে না। মোজতবা খামেনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘদিনের প্রভাব দ্রুত হারাচ্ছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের এই পাল্টাপাল্টি সামরিক অবস্থান পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
নতুন যুদ্ধের উসকানি দিলে ধ্বংসাত্মক জবাব দেওয়া হবে: ইরান