ইরানের অর্থনৈতিক উৎসগুলো সম্পূর্ণ সচল রাখা অসম্ভব করতে বিশ্বব্যাপী কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরানের আয়ের প্রধান উৎস বন্ধ করে তাদেরকে আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
সোমবার ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামের এই পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে কার্যকর করা হচ্ছে। তিনি এটিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সফল অভিযানের আদলে এক ধরনের ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ বলে অভিহিত করেন।
ওয়াশিংটন সাফ জানিয়েছে, বৈশ্বিক বাণিজ্য অংশীদারদের এখন যুক্তরাষ্ট্র অথবা ইরানের যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হবে। ইরানি তেল কেনাবেচা কিংবা লেনদেনে সহায়তা করা যেকোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠান এই মাধ্যমিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবে।
ছয় মাস আগে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় শীর্ষ নেতা নিহত হলেও ইরান সরকার বহাল থাকায় নতুন করে এই চাপ সৃষ্টি করা হলো। পাল্টা জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দিলে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয় তীব্র জ্বালানি সংকট।
নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্যে রয়েছে তেহরানকে পারমাণবিক পথ ত্যাগ করানো এবং হরমুজে সামরিক আগ্রাসন বন্ধে বাধ্য করা। ইতোমধ্যে ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, সোনা, বিমান ও শিপিং—এই পাঁচটি প্রধান খাতকে সরাসরি টার্গেট করা হয়েছে।
তবে ওয়াশিংটনের এই হুংকারকে কানে তুলছে না তেহরান। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই একপাক্ষিক বাণিজ্য বাধা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
ইসরায়েলি অবরোধে পশ্চিম তীরে তীব্র জ্বালানি সংকট
লন্ডনে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মুহিত