জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান নিয়ে তাঁকে একটি ‘বড় সিদ্ধান্ত’ নিতে হবে। তাঁর সামনে একটি পথ হলো এমন একটি চুক্তি, যার মাধ্যমে ইরান পুনর্গঠিত হয়ে আগের চেয়েও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে। অন্য পথ হিসেবে তিনি বলেন, তিনি ‘ইসলামিক রিপাবলিককে ধ্বংস’ করতে পারেন এবং তা দ্রুত করতে পারেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ট্রাম্পের বক্তব্যের সময় ইরানি প্রতিনিধিদলের অধিকাংশ সদস্য সাধারণ পরিষদের হল থেকে বেরিয়ে যান। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুরুতে একজন প্রতিনিধি আসনে ছিলেন; প্রায় ১০ মিনিট পর তিনিও হল ত্যাগ করেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ট্রাম্পের বক্তব্য শোনার জন্য সাধারণ পরিষদের হলে উপস্থিত ছিলেন না। তাঁরা নিউইয়র্কে অবস্থান করলেও অন্য কূটনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।
এই ওয়াকআউটকে তেহরানের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রতি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এর মধ্যেই আলোচনার চ্যানেল খোলা থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ—কারণ একই সময়ে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগও চলেছে।
যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ বন্ধের যেসব শর্ত জানালো ইরান