যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করা ঠেকাতে আড়ালে মার্কিন বাহিনী ও আঞ্চলিক মিত্রদের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার পরীক্ষা চালিয়েছে ইরান। বুধবার (১৪ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে এমন দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার (আইএসডব্লিউ)।
ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংক ট্যাংকটির মতে, ইরানের সাম্প্রতিক অস্ত্র পরীক্ষাগুলো ভবিষ্যতে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতির অংশ হতে পারে। একই সঙ্গে এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছে তেহরান।
আইএসডব্লিউর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরান একদিকে পরোক্ষ যোগাযোগের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ও মধ্যপ্রাচ্যে তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের সতর্ক করছে, অন্যদিকে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা যাচাই করছে। ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার পরীক্ষা সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে দেশটির প্রস্তুতি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিতে পারে। তবে এসব পরীক্ষার নির্দিষ্ট লক্ষ্য, ব্যবহৃত অস্ত্রের সক্ষমতা কিংবা সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে তার প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, আঞ্চলিক মিত্রদের ভূমিকা এবং জ্বালানি সরবরাহের ওপর পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সামরিক মহড়া, অস্ত্র পরীক্ষা ও পাল্টাপাল্টি হুমকি প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। আইএসডব্লিউর মূল্যায়নটি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণ। ইরানের অস্ত্র পরীক্ষার উদ্দেশ্য এবং নতুন মার্কিন সামরিক অভিযান ঠেকাতে দেশটির পদক্ষেপের কার্যকারিতা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা বিস্তারিত তথ্য এখানে দেওয়া হয়নি।
তাইজে জরুরি মানবিক সহায়তার আহ্বান ইয়েমেন সরকারের
বিমানঘাঁটির ঘটনায় আইআরজিসির সংশ্লিষ্টতা ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ তত্ত্ব: ইরান