মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের চলমান যুদ্ধাবস্থার প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে থাইল্যান্ড। উদ্ভূত অর্থনৈতিক ধাক্কা সামাল দিতে থাই মন্ত্রিসভা ১২২০ কোটি (১২.২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের একটি বিশাল জরুরি ঋণ পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। কয়েক দশকের মধ্যে এটি থাইল্যান্ডের অন্যতম বৃহত্তম ঋণ গ্রহণ প্রক্রিয়া।
এই ১২২০ কোটি ডলার মূলত অভ্যন্তরীণ বাজারে ব্যয় বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক কষ্ট লাঘব করতে ব্যবহার করা হবে। ‘থাইস হেল্প থাইস’ (Thais Help Thais) প্রকল্পের আওতায় আগামী জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২ কোটিরও বেশি নিম্ন আয়ের মানুষকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোই এর প্রধান লক্ষ্য।
এর আগে গত সপ্তাহে থাইল্যান্ডের অর্থ মন্ত্রণালয় তাদের প্রবৃদ্ধির (GDP) পূর্বাভাস ২.৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ১.৬ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার কারণেই এই কৃচ্ছ্রসাধন।
পর্যটন ও রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল থাইল্যান্ডের অর্থনীতি মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার ফলে বড় ঝুঁকিতে পড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই বিশাল পরিমাণ জরুরি ঋণ মূলত সাধারণ মানুষের পকেটে টাকা পৌঁছে দিয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা চাঙ্গা রাখার একটি মরিয়া চেষ্টা। সূত্র: আলজাজিরা
হরমুজে ৫ বেসামরিক নাগরিককে হত্যার অভিযোগ ইরানের