গাজায় নিজেদের অস্ত্র পুরোপুরি সমর্পণ করবে না বলে আবারও স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছে হামাস। তবে সংগঠনটি বলছে, ভবিষ্যতে গাজায় এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে যেখানে কেবল পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাই প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন করবে।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাসের নেতারা মনে করছেন, গাজার নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠনের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে, কিন্তু তাদের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি বিলুপ্ত করার দাবি গ্রহণযোগ্য নয়।
হামাসের মতে, ইসরায়েলি দখল ও সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত থাকা অবস্থায় অস্ত্র সমর্পণের প্রশ্নই ওঠে না। সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের অস্ত্র কোনো আলোচনার বিষয় নয় এবং তা সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করার পরিকল্পনা তাদের নেই।
তবে গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসন নিয়ে চলমান আলোচনা ও মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাবের প্রেক্ষাপটে হামাস ইঙ্গিত দিয়েছে যে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব বেসামরিক পুলিশ বাহিনীর হাতে থাকতে পারে। সেই ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে অস্ত্র বহনের ক্ষমতা শুধুমাত্র পুলিশ সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
গাজা যুদ্ধ-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণ অন্যতম বড় অচলাবস্থার কারণ হয়ে রয়েছে। ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে হামাসের পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ দাবি করে আসছে। অন্যদিকে হামাস বলছে, ইসরায়েল পুরোপুরি গাজা থেকে সরে না গেলে এবং স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা না দিলে তারা অস্ত্র ত্যাগ করবে না।
ফলে যুদ্ধবিরতি টেকসই করা এবং গাজার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নির্ধারণের আলোচনায় অস্ত্রের প্রশ্নটি এখনও সবচেয়ে জটিল ও বিতর্কিত ইস্যুগুলোর একটি হয়ে রয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা
ইসরায়েলি বাহিনীর সামনেই আল-আকসায় জুমার নামাজে ৬৫ হাজার মুসল্লি