'যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন বেসেন্ট' 

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

হরমুজ প্রণালি দিয়ে কত পরিমাণ তেল বের হচ্ছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেসেন্টের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন গালিবাফ। এর আগে বেসেন্ট দাবি করেছিলেন, গত ১৪ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১৩ কোটি ব্যারেল তেল বের হয়েছে।

বেসেন্টের ওই দাবির জবাবে গালিবাফ বলেন, প্রকৃত হিসাব জানতে মার্কিন কর্মকর্তাদের যুদ্ধের ব্যয়সংক্রান্ত মুডিসের তথ্য দেখতে বলা উচিত। তাঁর দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ১৩০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

এ ছাড়া তেলের দামের পতনের ওপর বাজি ধরে জেন স্ট্রিট নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিপুল অর্থ ক্ষতির কথাও উল্লেখ করেন গালিবাফ। একই সঙ্গে বেসেন্টকে সরাসরি মিথ্যাবাদী বলে কটাক্ষ করেন তিনি।

গালিবাফের এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন হরমুজ প্রণালি ঘিরে তেল পরিবহন ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবি চলছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগের তুলনায় তেল চলাচল কমে গেলেও উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি হচ্ছে এবং এর একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাচ্ছে।

একই সময়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও যুদ্ধের কারণে ইরানের অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে বলে দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন। তবে তেহরান হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার দাবি করে আসছে।

ফলে হরমুজ দিয়ে তেল পরিবহনের প্রকৃত পরিমাণ এবং যুদ্ধের আর্থিক ব্যয় নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে। সূত্র: ডন

এএস
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত