ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে জ্বালানি রপ্তানি ও বাণিজ্য যেন জিম্মি না হয়ে পড়ে, সে জন্য বিকল্প বাণিজ্য ও জ্বালানি করিডোর গড়ে তুলছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ এ তথ্য জানিয়েছেন।
আবুধাবিতে হিলি ফোরামে গারগাশ বলেন, যুদ্ধের কারণে আমিরাতের জ্বালানি রপ্তানি, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই জিম্মি হতে দেওয়া হবে না। এ লক্ষ্যেই দেশের পূর্ব উপকূলে বন্দর সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পাইপলাইন, রেলপথ এবং বিকল্প বাণিজ্যপথ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
ইরানের হামলায় উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় উপসাগরীয় দেশগুলো বিকল্প অবকাঠামোর দিকে ঝুঁকছে।
গারগাশ বলেন, ইরানের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক পুনর্গঠন করা সম্ভব এবং তা করতেই হবে। তবে সাম্প্রতিক হামলার পর প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আস্থা পুনর্গঠন করা অনেক বেশি কঠিন হবে। তার মতে, এই আস্থা ফিরিয়ে আনতে কয়েক দশকও লেগে যেতে পারে।
ইরানের হামলা মোকাবিলায় উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিক্রিয়াও যথেষ্ট ছিল না বলে সমালোচনা করেন গারগাশ। তিনি বলেন, বহু বছর ধরেই এসব দেশ ইরান থেকে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জের ধরন সম্পর্কে মোটামুটি একমত ছিল। কিন্তু সেই অভিন্ন উপলব্ধিকে যথেষ্ট ঐক্যবদ্ধ ও কৌশলগত পদক্ষেপে রূপান্তর করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক নৌপথ হিসেবে বিবেচনার আহ্বানও জানিয়েছে আমিরাত। দেশটির অবস্থান, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে কোনো একক রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত নয় এবং সেখানে তেলবাহী জাহাজ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক নৌযানকে নিয়মিত হুমকির মুখে পড়া গ্রহণযোগ্য নয়। সূত্র: ডন
মার্কিন জ্বালানি কোম্পানির স্থাপনায় পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি গালিবাফের
ইসরায়েলে বড় হামলার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের মূল্য দিতে হচ্ছে পুরো বিশ্বকে: ইরান