বেসামরিকদের ওপর মার্কিন হামলা ইচ্ছাকৃত: বাঘাই

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ পিএম

ইরানে বেসামরিক মানুষের ওপর ইচ্ছাকৃত হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। তিনি বলেছেন, মার্কিন সামরিক হামলাগুলো কোনো অনিচ্ছাকৃত ক্ষয়ক্ষতি নয়, বরং পরিকল্পিত আগ্রাসন ও যুদ্ধাপরাধ।

সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে বাঘাই বলেন, ইরানে হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করেছে। ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জন্য তেহরান সবসময় ওয়াশিংটনকে দায়ী করবে বলেও জানান তিনি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে বাঘাইয়ের বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়, মার্কিন কর্মকর্তারা বেসামরিক স্থাপনায় হামলার বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবেই অবগত। একই সঙ্গে নিজেদের কর্মকাণ্ড নিয়ে মিথ্যা ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষেত্রেও তারা দক্ষ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সেরিক দ্বীপে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলার অভিযোগও তুলে ধরেন বাঘাই। তার দাবি, বেসামরিকদের ওপর হামলার ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়; বরং গত ছয় মাসের হামলাগুলোর ধারাবাহিকতার অংশ।

বাঘাই বলেন, গত ছয় মাসে বেসামরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলাগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ইসরায়েলের অনুসরণে ওয়াশিংটনও বেসামরিক মানুষকে বারবার এবং পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার কৌশল নিয়েছে।

মার্কিন বাহিনী অত্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করলেও বেসামরিক স্থাপনা কীভাবে হামলার শিকার হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বাঘাই।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি মিলিমিটার পর্যায়ের নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতা রাখে, তাহলে মিনাবের একটি স্কুলকে তারা চিনতে পারেনি, এটি কীভাবে সম্ভব? একইভাবে লামার্ডে হামলার স্থানটি একটি স্টেডিয়াম এবং সেরিকে হামলার স্থানটি একটি বিয়ের অনুষ্ঠান, সেগুলোও তারা চিনতে পারেনি কেন, প্রশ্ন করেন তিনি।

তবে বাঘাইয়ের এসব অভিযোগের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়ার কথা জানানো হয়নি। সূত্র: ডন

এএস
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত