যুক্তরাজ্যের একটি রেস্তোরাঁয় গরুর মাংস পরিবেশনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ভিডিওটি লন্ডনের এবং এতে ভারতীয় হিন্দুরা জড়িত, এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের শেফিল্ড শহরের একটি রেস্তোরাঁয় ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের মিল রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৫ সালের ওই ঘটনায় শেফিল্ডের আবাসিন ডাইনার নামের একটি রেস্তোরাঁয় খাবার নিয়ে বিরোধের জেরে ভাঙচুর ও সংঘর্ষ হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েকজন ক্রেতা অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের ভেড়ার মাংসের বদলে গরুর মাংস পরিবেশন করা হয়েছে। এ নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে রেস্তোরাঁর কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এবং প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তির ক্ষতি করা হয়।
ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কেও ভিন্ন দাবি পাওয়া যায়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত একটি তথ্য যাচাই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিরা ভারতীয় হিন্দু নন; তাঁরা ব্রিটিশ পাকিস্তানি নাগরিক। ওই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ফলে ভিডিওটিকে ভারতীয় হিন্দুদের সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করার দাবি বিভ্রান্তিকর বলে প্রতীয়মান হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোনো ভিডিও নতুন পরিচয় ও প্রেক্ষাপট দিয়ে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনা সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। তাই ভিডিওটির সঙ্গে লন্ডনের কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত না হয়ে প্রচারিত দাবিকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না। বর্তমানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভিডিওটির সঙ্গে শেফিল্ডের পুরোনো সংঘর্ষের যোগসূত্র রয়েছে; তবে নিরাপত্তাকর্মীরা লন্ডনে ভারতীয় হিন্দুদের মারধর করেছেন, এই নির্দিষ্ট দাবির সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে মোদি-নেতানিয়াহু ফোনালাপ
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল