ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানিকে ইসরায়েল কর্তৃক হত্যার ঘটনাকে "অগ্রহণযোগ্য" বলে কঠোর সমালোচনা করেছে চীন। বেইজিং জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এ ধরনের শক্তি প্রয়োগ এবং রাষ্ট্রীয় নেতাদের হত্যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা সব সময় শক্তি প্রয়োগের বিরোধিতা করে এসেছি। ইরানের রাষ্ট্রীয় নেতাদের হত্যা এবং বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো আরও বেশি অগ্রহণযোগ্য।”
মুখপাত্র লিন জিয়ান আরও উল্লেখ করেন যে, এই ধরনের হত্যাকাণ্ড আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও উসকে দেবে।
২০২৬ সালের চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের অন্যতম বড় ঘটনা হলো আলী লারিজানির হত্যাকাণ্ড। তিনি ইরানের নিরাপত্তা কৌশলের অন্যতম প্রধান কারিগর ছিলেন। লারিজানিকে হত্যার পর ইরান যেমন প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে, তেমনি রাশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলোও ইসরায়েলি এই পদক্ষেপের নিন্দা জানাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীন সরাসরি লারিজানি হত্যাকাণ্ডের বিরোধিতা করায় মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে বেইজিংয়ের কূটনৈতিক অবস্থান আরও স্পষ্ট হলো। এটি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ তৈরির একটি বড় সংকেত।
জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টাপাল্টি হামলায় উত্তেজনা চরমে
