ইরানে অভিযান চালানোর সময় দেশটির ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায় পড়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। ইরান ও ইসরায়েল উভয় পক্ষই এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তবে কখন এ ঘটনা ঘটেছে তা জানানো হয়নি।
বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসরায়েল জানায়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আমাদের ‘ক্রু সদস্যরা নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। বিমানে কোনো ক্ষতি হয়নি এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযান শেষ হয়েছে।’
এদিকে তেহরান দাবি করেছে, তেল আবিবের কাছে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে জ্বালানি ট্যাংক এবং জ্বালানি পরিবহনকারী একটি উড়োজাহাজে (রিফুয়েলিং জেট) তারা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে করে ইসরায়েলের সামরিক বিমানের উড্ডয়ন ও জ্বালানি সরবরাহ গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছে।
দেশটির সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের সেনাবাহিনী ও ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) এই হামলায় ইসরায়েল বেশ কিছু সেনা সদস্যকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে। ইরানের ওপর থেকে হুমকি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের হামলা পূর্ণ শক্তি নিয়ে চলবে বলেও বিবৃতি উল্লেখ করা হয়।
এর আগে ইরানে আকাশসীমায় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তৎপরতায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান। ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটি পরে জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়। চলমান যুদ্ধে মার্কিন এই পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমানকে আঘাতের বিষয়টিকে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা
নাতানজ থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর শঙ্কা নেই
