মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে একমত হয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। বিশেষ করে দ্ব্যর্থহীনভাবে তারা জানিয়েছেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) এক গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফেরাতে একটি সমন্বিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিটের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ফোনালাপকালে দুই নেতাই দ্রুত উত্তেজনা কমানোর (De-escalation) প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার একটি ‘স্থায়ী যুদ্ধবিরতির’ ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে লেবাননকে এই প্রক্রিয়ার বাইরে রাখার কোনো সুযোগ নেই। লেবানন সীমান্তে ক্রমবর্ধমান সংঘাত পুরো অঞ্চলের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে তারা মনে করেন।
মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক সংকটের পাশাপাশি বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়েও দুই নেতার মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত গুরুত্ব এবং সেখানে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির বিষয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশ্ব অর্থনীতিকে সচল রাখতে সমুদ্রপথে অবাধ ও নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে তারা মন্তব্য করেন।
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা রক্ষায় একটি ‘শক্তিশালী আন্তর্জাতিক জোট’ গঠনের অঙ্গীকার করেছেন স্টারমার ও মাখোঁ। তারা মনে করেন, একক কোনো দেশের পক্ষে এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, বরং বৈশ্বিক সহযোগিতার মাধ্যমেই নৌ-বাণিজ্যের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। সূত্র মারফত জানা গেছে, দুই দেশই এই সংকট সমাধানে মিত্র রাষ্ট্রগুলোর সাথে নিবিড়ভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ২০৫৫
