ফিফা বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইরানের প্রথম ম্যাচকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাসরত ইরানি বংশোদ্ভূতদের মধ্যে দেখা দিয়েছে স্পষ্ট বিভাজন। কেউ জাতীয় দলকে সমর্থন দিতে মাঠে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আবার কেউ একই ম্যাচকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন।
লস অ্যাঞ্জেলেসকে অনেকেই ‘তেহরাঞ্জেলেস’ নামে ডাকেন। কারণ, ইরানের বাইরে সবচেয়ে বড় ইরানি সম্প্রদায়ের বসবাস এই শহরে। আর সেখানেই বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে নামছে ইরান। ফলে ম্যাচটি কেবল ফুটবলের লড়াই নয়, প্রবাসী ইরানিদের আবেগ ও রাজনৈতিক অবস্থানেরও প্রতিফলন হয়ে উঠেছে।
ম্যাচের আগে স্টেডিয়ামের বাইরে সমাবেশের পরিকল্পনা করেছে ইরানি সরকারের সমালোচক কয়েকটি সংগঠন। তাদের দাবি, জাতীয় দলকে সমর্থন করা আর তেহরানের শাসকদের সমর্থন করা এক বিষয় নয়। অন্যদিকে অনেক প্রবাসী ইরানি মনে করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় দলের পাশে দাঁড়ানো উচিত।
ইরান দলের খেলোয়াড় ও কোচও রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করছেন। অধিনায়ক মেহদি তারেমি বলেছেন, দলটি বিশ্বের সব ইরানির প্রতিনিধিত্ব করতে চায়। কোচ আমির ঘালেনোইও জোর দিয়েছেন ঐক্যের বার্তায়।
তবে রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব ইরানের বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতেও পড়েছে। ভিসা জটিলতা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে দলটিকে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে মেক্সিকোর তিজুয়ানাকে অস্থায়ী ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করতে হয়েছে। ম্যাচের ঠিক আগে তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে এবং খেলা শেষে আবার ফিরে যাচ্ছে।
এদিকে সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কায় ইরানের ম্যাচগুলোকে ঘিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। সূত্র: আলজাজিরা
বিশ্বকাপে বর্ণবাদী অঙ্গভঙ্গি, রেফারিকে সরানোর দাবি
যাদের কাছে বেশি গোল খেয়েছে আর্জেন্টিনা
পুরোনো ক্ষত বুকে নিয়ে মাঠে নামছে ইংল্যান্ড