শত্রুর লক্ষ্য ব্যর্থ, ইরানই বিজয়ী: সেনাপ্রধান

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম

ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান আমির হাতামি দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংসের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে শত্রুপক্ষ। তার দাবি, যুদ্ধের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইরানের মজুত থাকা ক্ষেপণাস্ত্র সর্বোচ্চ তীব্রতায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে।

ফার্স নিউজের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, আমির হাতামি বলেন, সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো আক্রমণকারী পক্ষ তখনই বিজয়ী হিসেবে বিবেচিত হয়, যখন তারা যুদ্ধের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারে। অন্যদিকে প্রতিরক্ষামূলক যুদ্ধে আক্রমণকারী পক্ষ তাদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলে সেটিই প্রতিরোধকারী পক্ষের বিজয় হিসেবে গণ্য হয়।

ইরানের সেনাপ্রধান বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধে শত্রুপক্ষের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল দেশটির ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা। তবে যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত সক্রিয় ছিল এবং সেগুলো সর্বোচ্চ তীব্রতায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে।

হাতামির ভাষ্য, যুদ্ধের ফলাফল মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শুধু হামলার মাত্রা বা ক্ষয়ক্ষতির হিসাব দেখলেই হবে না; বরং আক্রমণকারী পক্ষ তাদের ঘোষিত সামরিক লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছে কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিচারে শত্রুপক্ষ তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করতে না পারায় ইরানকে বিজয়ী বলা যায় বলে দাবি করেন তিনি।

ইরানের সেনাপ্রধানের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন সাম্প্রতিক সংঘাতের পর তেহরান তাদের সামরিক সক্ষমতা অক্ষুণ্ন থাকার বিষয়টি বারবার তুলে ধরছে। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা নিয়ে ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যে প্রতিপক্ষের সামরিক লক্ষ্য কতটা সফল হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।

হাতামির বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতাই শেষ পর্যন্ত সংঘাতের ফল নির্ধারণ করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আক্রমণকারী পক্ষ যদি তার মূল সামরিক লক্ষ্য অর্জন করতে না পারে, তাহলে প্রতিরোধকারী পক্ষের বিজয়কেই সামরিক যুক্তিতে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সূত্র: ডন

এএস
আরও পড়ুন