দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়লেও সব প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনুমোদন পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি অংশ এখনো স্থায়ী ক্যাম্পাসে পুরোপুরি যেতে পারেনি। আবার কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার উদ্যোগ নিলেও অর্থসংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও শিক্ষার্থীসংকটের কারণে তা বাস্তবায়ন করতে পারছে না।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১১৭। এর মধ্যে ৫৩টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে গেছে। আর ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী সনদ পেয়েছে। অন্যদিকে বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এখনো স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ইউজিসির নিজস্ব তথ্যব্যবস্থাতেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সনদ ও স্থায়ী ক্যাম্পাস সংক্রান্ত তথ্য’ আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
ফলে প্রশ্ন উঠছে—একটি বিশ্ববিদ্যালয় যখন উচ্চশিক্ষার সনদ দেওয়ার পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন তার নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো কতটা নিশ্চিত হওয়া উচিত? আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে না পারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম কীভাবে চলছে?
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শুরুতে অনুমোদন দেওয়া হলেও আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইউজিসি বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়ে আসছে।
ইউজিসির এক বুলেটিনে বলা হয়েছে, যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক সনদের মেয়াদ শেষ হয়েছে অথচ তারা এখনো স্থায়ী ক্যাম্পাসে যায়নি, তাদের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ শুধু একটি ভবন ভাড়া করে দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ সীমাহীন নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, ল্যাবরেটরি, গ্রন্থাগার, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সামগ্রিক একাডেমিক পরিবেশের জন্য নিজস্ব স্থায়ী অবকাঠামো থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
১১৭টি অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৩টি স্থায়ী ক্যাম্পাসে গেলেও বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সবাই যে একই অবস্থায় রয়েছে, তা নয়। কেউ স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, কেউ জমি কিনে রেখেছে, কেউ নির্মাণকাজ শুরু করেছে, আবার কেউ অর্থসংকটে আটকে আছে।
সম্প্রতি ফেনী বিশ্ববিদ্যালয় তাদের স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবন নির্মাণ শুরু করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০১২ সালে অনুমোদন পায় এবং ২০১৩ সালে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। ২০২৬ সালের আগস্টে স্থায়ী ক্যাম্পাসে সাততলা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়।
এ ধরনের উদাহরণ দেখাচ্ছে, অনুমোদনের বহু বছর পরও কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী অবকাঠামো তৈরির কাজ চলমান থাকতে পারে।
অন্যদিকে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার জন্য জমি কিনলেও সেখানে পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারেনি। কোথাও জমি পড়ে আছে, কোথাও ভবন নির্মাণের কাজ অসম্পূর্ণ, আবার কোথাও অর্থের অভাবে প্রকল্প এগোচ্ছে না।
স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর একটি হয়ে উঠছে অর্থনৈতিক সক্ষমতা। আর এই অর্থনৈতিক সক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা।
দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আসনসংখ্যা শিক্ষার্থীর তুলনায় অনেক বেশি। ইউজিসির তথ্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে উচ্চশিক্ষায় মোট আসন প্রায় ১৩ লাখ। অন্যদিকে ২০২৫ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করেন ৭ লাখ ২৬ হাজার ৯৬০ জন।
ফলে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ, মেডিক্যাল-ডেন্টালসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের আসন বাদ দেওয়ার পর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি বড় অংশের সামনে শিক্ষার্থী পাওয়াই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষ করে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শক্তিশালী ব্র্যান্ড, গবেষণা, শিক্ষক, ল্যাবরেটরি বা অবকাঠামো নেই, তারা তুলনামূলকভাবে বেশি চাপের মুখে পড়ছে।
শিক্ষার্থী সংকটের সঙ্গে অবকাঠামোগত দুর্বলতাও অনেক প্রতিষ্ঠানের সমস্যা বাড়াচ্ছে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এখনো একটি ভবনের এক বা দুই ফ্লোর ভাড়া নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কোথাও শিক্ষকসংখ্যা কম, কোথাও পর্যাপ্ত ল্যাবরেটরি বা লাইব্রেরি নেই।
ইউজিসির সাম্প্রতিক পরিদর্শন ও প্রতিবেদনের কিছু তথ্যও বিষয়টি সামনে এনেছে।
চুয়াডাঙ্গার ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ নিয়ে ইউজিসির তদন্তে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জায়গা, শিক্ষকসংখ্যা ও বেতন কাঠামো নিয়ে ঘাটতির কথা উঠে এসেছে। মূল প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়টির ১৪টি প্রোগ্রামের বিপরীতে কমপক্ষে ৭০ জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও ছিলেন ৩৩ জন। তাঁদের মধ্যে অধ্যাপক একজন, সহযোগী অধ্যাপক একজন এবং সহকারী অধ্যাপক সাতজন। বাকি ২৪ জন প্রভাষক।
শিক্ষকদের বেতনও তুলনামূলকভাবে কম বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব ঘাটতি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক মান ও গবেষণা সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি আসে—স্থায়ী সনদ পাওয়া এবং মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ওঠা কি একই বিষয়?
বাস্তবে দুটি বিষয় আলাদা। একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থায়ীভাবে পরিচালনার অনুমোদন পেতে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয়। উদাহরণ হিসেবে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ২০২৩ সালে স্থায়ী সনদ পায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির সব একাডেমিক কার্যক্রম তার স্থায়ী ক্যাম্পাসে পরিচালিত হচ্ছিল বলে সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিও ২০২৩ সালে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার সনদ পায়। বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাসে ৩০ একর জমিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার কথা সংশ্লিষ্ট তথ্যতে উল্লেখ করা হয়।
অর্থাৎ স্থায়ী সনদ পাওয়ার ক্ষেত্রে শুধু কাগজপত্র নয়, শিক্ষা পরিবেশ, মান, কার্যক্রম ও অন্যান্য শর্তও বিবেচনার বিষয়।
তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের সনদ থাকলেই সেখানে একই মাত্রার শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামো রয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়া যায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে শিক্ষকসংখ্যা, শিক্ষার্থী, গবেষণা, ল্যাব, লাইব্রেরি, ক্যাম্পাস ও প্রশাসনিক সক্ষমতার পার্থক্য থাকতে পারে।
স্থায়ী ক্যাম্পাসের পাশাপাশি প্রশাসনিক কাঠামোও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বড় একটি চ্যালেঞ্জ। মূল প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি, প্রোভিসি অথবা ট্রেজারারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য রয়েছে।
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে এসব পদ গুরুত্বপূর্ণ। ফলে দীর্ঘ সময় শীর্ষ পদ শূন্য থাকলে একাডেমিক পরিকল্পনা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, শিক্ষক নিয়োগ, গবেষণা কার্যক্রম ও মান নিশ্চিতকরণে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এ কারণে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা নয়, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক সক্ষমতা ও একাডেমিক কার্যকারিতা কতটা রয়েছে, সেটিও এখন আলোচনার বিষয়।
একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় প্রয়োজন শিক্ষক, ল্যাবরেটরি, লাইব্রেরি, প্রশাসনিক জনবল, গবেষণার সুযোগ, শ্রেণিকক্ষ, প্রযুক্তি অবকাঠামো এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নানা সুবিধা।
কিন্তু শিক্ষার্থী কমে গেলে টিউশন ফি থেকে আয়ও কমে যায়। আয় কমলে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, ল্যাবরেটরি উন্নয়ন, গবেষণা এবং স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে বিনিয়োগ কঠিন হয়ে পড়ে।
ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ মূল প্রতিবেদনে বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মান দিয়েই টিকে থাকতে হবে। তাঁর মতে, যেখানে শিক্ষার মান ভালো, সেখানে স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষার্থীরা ভর্তি হবে। একই সঙ্গে বিদেশি শিক্ষার্থী আকৃষ্ট করার পরিকল্পনার কথাও তিনি জানিয়েছেন।
এই বক্তব্যের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা খাতে প্রতিযোগিতার একটি নতুন দিকও সামনে আসে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শুধু শিক্ষার্থী ভাগাভাগি নয়, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার প্রতিযোগিতাও ভবিষ্যতে বাড়তে পারে।
তবে বিদেশি শিক্ষার্থী আনার আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা পরিবেশ, গবেষণা, শিক্ষকসংখ্যা, অবকাঠামো ও আবাসিক সুবিধার মান নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খাতে বর্তমান সংকট শুধু কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সমস্যা হিসেবে দেখলে বিষয়টির পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না। প্রয়োজন প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তথ্য প্রকাশ ও নিয়মিত মূল্যায়ন।
কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস আছে, কোনটি নির্মাণাধীন, কার সাময়িক সনদের মেয়াদ শেষ, কোথায় কত শিক্ষক, কত শিক্ষার্থী, কতটি অনুমোদিত প্রোগ্রাম, কতটি চালু—এসব তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করে প্রকাশ করা হলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।
একই সঙ্গে যেসব বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে পারছে না, তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা ও বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ প্রয়োজন। আবার যারা কাঠামোগতভাবে দুর্বল কিন্তু উন্নতির সুযোগ আছে, তাদের জন্য পুনর্গঠন বা একীভূতকরণের মতো নীতিগত বিকল্প নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
সবশেষে মূল প্রশ্নটি থেকে যায়—বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবে কতটা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে উঠতে পেরেছে?
১১৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তব চিত্র এক নয়। কিছু প্রতিষ্ঠান বড় ক্যাম্পাস, শিক্ষক, গবেষণা ও শিক্ষার্থী নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আবার কিছু প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অর্থ ও অবকাঠামো—সব দিক থেকেই চাপে রয়েছে।
তাই এখন শুধু নতুন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান, স্থায়ী ক্যাম্পাস, প্রশাসনিক সক্ষমতা ও আর্থিক টেকসইতা নিশ্চিত করা। উচ্চশিক্ষার বিস্তার যেন শুধু সনদ দেওয়ার সংখ্যায় সীমাবদ্ধ না থাকে—সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
সূত্র মতে, রাজধানীর অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ই শিক্ষার্থী সংকটে ভুগছে। এর মধ্যে সেন্ট্রাল ওমেনস ইউনিভার্সিটি, দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, সিটি ইউনিভার্সিটি, প্রাইম ইউনিভার্সিটি, নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, দ্য মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া, ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সাইন্সেস, মানারত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি, রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা, বাংলাদেশ ইসলামী ইউনিভার্সিটি, আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, হামদর্দ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব স্কলারস, শান্ত মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, আনোয়ার খান মডার্ন ইউনিভার্সিটি, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি অন্যতম।
রাজধানীর বাইরে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ও প্রচণ্ড শিক্ষার্থী সংকটে রয়েছে। এর মধ্যে পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র ইউনিভার্সিটি, ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, এক্সিম ব্যাংক অ্যাগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটি, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, খাজা ইউনূস আলী ইউনিভার্সিটি, ফেনী ইউনিভার্সিটি, ব্রিটানিয়া ইউনিভার্সিটি, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, টাইমস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সিসিএন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, এনপিআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ, ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বান্দরবান ইউনিভার্সিটি, আহছানিয়া মিশন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, জেডএনআরএফ ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস অন্যতম।
এ ছাড়া আরো অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগে থেকেই তেমন শিক্ষার্থী নেই। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অবস্থা তাতে সামনেও শিক্ষার্থী পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এসব বিশ্ববিদ্যালয় নামেমাত্র চালু রয়েছে। আবার কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে নানা নেতিবাচক কারণে তারকা চিহ্ন দিয়ে আলাদা করেছে ইউজিসি। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ও শিক্ষার্থী পাচ্ছে না। আর কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো তাদের শিক্ষা কার্যক্রমই শুরু করতে পারেনি।
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের
এআইয়ের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপের পরিকল্পনা সরকারের
অপমানের প্রতিশোধ নিতে তৈরি হয়েছিলো ঢাকার যে রাজপ্রাসাদ