শ্রীমঙ্গলে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ১৪৪ ধারা জারির মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের বহনকারী গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ। এ সময় নেতাদের সঙ্গে পুলিশের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের চা কন্যা ভাস্কর্য এলাকায় পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে এনসিপির গাড়িবহরের গতিরোধ করে।

ঘটনাস্থলে গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতুকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশি বাধার কারণ জানতে চাইলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকেও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে জড়াতে দেখা যায়।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। শ্রীমঙ্গল শহর অতিক্রম করে হবিগঞ্জের পথে চা কন্যা ভাস্কর্য এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের গাড়িবহর আটকে দেয়।

এ ঘটনায় শ্রীমঙ্গল-শায়েস্তাগঞ্জ সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শত শত যানবাহন আটকা পড়ে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এনসিপির নেতাদের গাড়িবহর সাময়িকভাবে আটকে দেওয়া হয়েছে।

MCH/AHA
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত